ঐক্যবদ্ধ থাকলে ষড়যন্ত্রকারীরা কখনোই সফল হবে না

প্রকাশিত: ৪:৩৬ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৬, ২০২৫

ঐক্যবদ্ধ থাকলে ষড়যন্ত্রকারীরা কখনোই সফল হবে না

Manual4 Ad Code

ঐক্যবদ্ধ থাকলে ষড়যন্ত্রকারীরা কখনোই সফল হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বুধবার শহীদ ডা. মিলন দিবস উপলক্ষে এক বাণীতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘পতিত আওয়ামী সরকারের বিগত ১৬ বছরের দুর্বিষহ শাসনামলে মানুষের সকল অধিকার কেড়ে নিয়ে গণতন্ত্রকে কবরস্থ করা হয়েছিল। দেশের মানুষ তাদের সকল অধিকার হারিয়ে ফেলেছিল। জনগণের কাছ থেকে দেশের মালিকানা কেড়ে নেয়া হয়েছিল। ৫ই আগস্টের ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে বিজয়ের মাধ্যমে আমরা নতুনভাবে স্বাধীনতা পেলেও এখনো আমাদের দেশমাতৃকার বিরুদ্ধে দেশি-বিদেশি চক্রান্ত থেমে নেই। তবে আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে ষড়যন্ত্রকারীরা কখনোই সফল হবে না। শহীদ ডা. মিলনের আত্মত্যাগ সবসময় আমাদেরকে প্রেরণা জোগাবে।
আজকের এই দিনে আমি ডা. মিলনসহ সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই।’

Manual1 Ad Code

তিনি বলেন, ‘শহীদ ডা. মিলন দিবস উপলক্ষে আমি ৯০-এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের এক নির্ভীক সৈনিক শহীদ ডা. শামসুল আলম মিলনের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে অকুতোভয় শহীদ ডা. মিলনের আত্মদানে হারানো গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবিত হয়।’তারেক রহমান বলেন, ‘শহীদ ডা. মিলনের আত্মদানের মধ্য দিয়ে ৯ বছরের স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলন চূড়ান্ত বিজয়ের পথে ধাবিত হয়। স্বৈরাচারকে উৎখাত করে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা ছিলো তার দৃঢ় অঙ্গীকার। বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে তিনি গণতন্ত্রের বিজয় এনেছিলেন। এই পথ ধরেই দেশে স্বৈরাচারের পতন ঘটে এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশে গণতন্ত্রের নবযাত্রা শুরু হয়।’

Manual8 Ad Code

অপর এক বাণীতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘৮০’র দশকে স্বৈরাচার বিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ডা. শামসুল আলম খান মিলন একটি গুরুত্বপূর্ণ ও অবিস্মরণীয় নাম। গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে ডা. মিলনের আত্মদান স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন চলাকালে ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর তৎকালীন সরকারের লেলিয়ে দেয়া পেটোয়া বাহিনীর গুলিতে তিনি শহীদ হন। তার শাহাদৎ বার্ষিকীতে আমি তার রুহের মাগফিরাত কামনা করি।’

তিনি বলেন, ‘স্বৈরাচারী শাসনের শৃঙ্খল থেকে গণতন্ত্রকে উদ্ধার করতে গিয়েই শহীদ হয়েছেন ডা. শামসুল আলম খান মিলন। সকল কর্তৃত্ববাদী এবং গণতন্ত্র বিরোধী স্বৈরাচারী শক্তির বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামে ডা. মিলন সবসময় আমাদের প্রেরণার উৎস।’
তারেক রহমান বলেন, ‘শহীদ ডা. মিলনের আত্মদানের মধ্য দিয়ে ৯ বছরের স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলন চূড়ান্ত বিজয়ের পথে ধাবিত হয়। স্বৈরাচারকে উৎখাত করে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা ছিলো তার দৃঢ় অঙ্গীকার। বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে তিনি গণতন্ত্রের বিজয় এনেছিলেন। এই পথ ধরেই দেশে স্বৈরাচারের পতন ঘটে এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশে গণতন্ত্রের নবযাত্রা শুরু হয়।’

Manual2 Ad Code

অপর এক বাণীতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘৮০’র দশকে স্বৈরাচার বিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ডা. শামসুল আলম খান মিলন একটি গুরুত্বপূর্ণ ও অবিস্মরণীয় নাম। গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে ডা. মিলনের আত্মদান স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন চলাকালে ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর তৎকালীন সরকারের লেলিয়ে দেয়া পেটোয়া বাহিনীর গুলিতে তিনি শহীদ হন। তার শাহাদৎ বার্ষিকীতে আমি তার রুহের মাগফিরাত কামনা করি।’

তিনি বলেন, ‘স্বৈরাচারী শাসনের শৃঙ্খল থেকে গণতন্ত্রকে উদ্ধার করতে গিয়েই শহীদ হয়েছেন ডা. শামসুল আলম খান মিলন। সকল কর্তৃত্ববাদী এবং গণতন্ত্র বিরোধী স্বৈরাচারী শক্তির বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামে ডা. মিলন সবসময় আমাদের প্রেরণার উৎস।’

 

Manual3 Ad Code

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ