ঢাকা ১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১০:০১ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ১৮, ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে টান পড়েছে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনেও। প্রতিদিন সিলেট মহানগর এলাকায় অনেকবার বিদ্যুৎ যাতায়াত করছে। একবার গেলে মোটামুটি লম্বা বিরতি নিয়ে ফিরছে। আর গ্রামাঞ্চলের খবরতো আরও ভয়াবহ। প্রায় প্রতিদিনই বিভিন্ন উপজেলা থেকে খবর আসছে, বিদ্যুতের যন্ত্রণায় জনজীবন অতিষ্ঠ।
সিলেট বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ ও ২ এর আওতায় মোট বিদ্যুৎ গ্রাহকের সংখ্যা ১২ লাখ ২০ হাজার। অসহনীয় যন্ত্রণায় ভোগছেন সব গ্রাহক ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। সহসা এই দুরবস্থার অবসান হতে পারে, তেমন কোনো উপায়ও দেখছেন না কেউ।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সাথে আলাপকালে জানা গেছে, যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানী সংকট, এবং সেকারণে উৎপাদন কমেছে। তাই সরবরাহও কম। যা সরবরাহ হচ্ছে তা তারা সঠিকভাবেই বিতরণ করছেন।
সিলেট প্লাজার প্রত্যয় জুয়ের্লাস সত্বাধীকারি ও জুয়েলারী ব্যবসায়ী সদস্য নাট্য অভিনেতা প্রশান্ত লিটন বলেন গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সিলেট মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় সারাদিন বিদ্যুৎ বলতে গেলে আসা-যাওয়ার মধ্যেই ছিল। নগরীর ইলেক্ট্রিসাপ্লাইয়ের মতো এলাকায় দুপুরের দিকে অন্তত তিন থেকে ৪ বার বিদ্যুৎ গেছে। আর ফিরেছে কমপক্ষে প্রতিবার প্রায় ঘন্টাখানেক বিরতি দিয়ে। শুক্রবার ছুটির দিনে এই প্রবণতা কিছুটা কম থাকলেও অবস্থার উন্নতি হয়েছে, তেমনটা বলা যায়না। সিলেট আলহামরা শপিং সিটির অজান্তা টেইর্লাস এর সত্বাধীকার সালেহ িআহমদ বলেন,আমরা এ্ই বিদ্যুৎ এর কাছে এক রকম বন্ধি হয়ে আছি আমরা কাস্টমারের কাছে থেকে অর্ডার রাখি কিন্তু সময় মত কাজ ডেলিভারি দেওয়া সম্ভব হয়না। এই বিদ্যুৎ যাওয়া আসার ফলে আমাদের কারখানায় ও কাজের ব্যপক বিঘ্ন ঘটে। সাংবাদিক মিলন তালুকদার বলেন, আমরা গণমাধ্যম নিয়ে কাজ করি সারাদিনের পরিশ্রম শেষে যখন আমরা সন্ধ্যায় পত্রিকার কাজ করি তখন আর সেটা করা সম্ভব হয়না দিনেতো সারা দিনই চলে বিদ্যুৎতের যাওয়া আসার খেলা ।এমনবস্থায় আমরা কিভাবে কাজ করি ।সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হয় বিদ্যুৎতের মহামারি।
Design and developed by sylhetalltimenews.com