ঢাকা ৯ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৪শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১১:৪৮ অপরাহ্ণ, মার্চ ৮, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর হামলায় টানা ৯ম দিনের মতো ইরানজুড়ে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ চলছে। এই হামলার প্রতিশোধে ইসরায়েলসহ পুরো মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ঘাঁটি ও ইসরায়েলি স্বার্থে পাল্টা হামলা করছে ইরানও। ইরানে হামলা শুরুর আগে কয়েক মাস থেকে ইরানবিরোধী ক্যাম্পেইন চালিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। সেই সময় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে প্রকাশ্যে উসকানি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। যদিও ব্যাপক বলপ্রয়োগ করে ওই আন্দোলন দমন করে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী। এরপর অনেকটা আকস্মিকভাবে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা শুরু করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কয়েক দিন আগে এক বক্তৃতায় যুদ্ধ শেষে ইরানের মানচিত্র আগের মতো থাকবে না বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। ট্রাম্পের সেই বক্তৃতার প্রতি ইঙ্গিত করে অধ্যাপক ফুয়াদ ইজাদি বলেছেন, এতে বোঝা যায় যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানকে ‘বলকানিজ’ বা ছোট ছোট অঞ্চলে বিভক্ত করার পরিকল্পনা করছে।
পারস্য উপসাগরের (যা আরব উপসাগর নামেও পরিচিত) উত্তর দিকে অবস্থিত ইরানের তেলসমৃদ্ধ অঞ্চলগুলোর প্রতি ট্রাম্পের আগ্রহ রয়েছে উল্লেখ করে ইজাদি বলেন, ‘‘আমার মনে হয়, ট্রাম্প ইরানের তেলসমৃদ্ধ অংশগুলো বিচ্ছিন্ন করার বিষয়ে আগ্রহী। তিনি সম্ভবত তেলসমৃদ্ধ এই অঞ্চলগুলোর দায়িত্বে নিজের পছন্দের কাউকে বসাবেন এবং ইরানের বাকি অংশের প্রতি তার তেমন কোনও আগ্রহ থাকবে না।’’
তিনি বলেন, ইরানের অন্য অংশগুলো হয়তো প্রতিবেশী দেশগুলোর দখলে চলে যেতে পারে অথবা তেল না থাকলে সেগুলো অবহেলিত অবস্থায় পড়ে থাকতে পারে।
Design and developed by sylhetalltimenews.com