গুণীজনদের সম্মানিত করলে সমাজে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

প্রকাশিত: ১১:৪২ পূর্বাহ্ণ, মে ৬, ২০২৬

গুণীজনদের সম্মানিত করলে সমাজে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

Manual1 Ad Code

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, গুণীজনদের সম্মানিত করলে শুধু তাদের ব্যক্তিগত সম্মান বৃদ্ধি পায় না, সমাজের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।

Manual2 Ad Code

মঙ্গলবার (৫ মে) ঢাকায় একটি অভিজাত হোটেলে নতুনধরা গ্রুপ প্রেজেন্টস গ্লোবাল ব্র্যান্ডস এবং টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটি অব বাংলাদেশ (ট্রাব) আয়োজিত ‘বিজনেস, সিএসআর অ্যান্ড কালচারাল অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, গুণীজনদের সম্মাননা দেওয়ার মাধ্যমে সমাজে সৃজনশীলতা, মানবিক মূল্যবোধ ও উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়।

তিনি আরও বলেন, যেকোনো পুরস্কার একজন গুণী ব্যক্তিকে আরও বেশি উদ্যম ও উদ্যোগের জন্ম দেয়। এটি সমাজের জন্য আরও বৃহত্তর অবদান রাখতে তাদের অনুপ্রাণিত করে।

ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল উদাহরণ। স্বাধীনতা যুদ্ধে কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন, খুরশিদ আলমসহ অনেক গুণী শিল্পীর গান আজও আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে জাগ্রত রাখে।

স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ছোটোবেলায় ‘সুজন সখি’ সিনেমা অনেকবার দেখেছি। আজও সেই দৃশ্যগুলো মনে দাগ কাটে। যাত্রাপালা, গম্ভীরা—এসব লোকসংস্কৃতিতে অনেক শিক্ষণীয় উপাদান রয়েছে। মানুষের মনকে সান্ত্বনা ও প্রশান্তি দেওয়ার জন্য সিনেমা, নাটক, গান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের বিকল্প নেই।

Manual6 Ad Code

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় সংস্কৃতি মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে চাই।

তিনি বলেন, জাতি, ধর্ম, বর্ণ ও গোষ্ঠীগত মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে সকলকে নিয়ে একটি সমৃদ্ধ ও ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গঠন করাই আমাদের লক্ষ্য। তিনি আরও বলেন, আমাদের চলচ্চিত্র শিল্পের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে সরকার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। শিল্পীদের সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করা এবং সাংস্কৃতিক খাতকে আধুনিকায়নে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

 

Manual7 Ad Code

অনুষ্ঠানে মন্ত্রীদ্বয় সম্মাননা দেওয়া শিল্পীদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন। সাবিনা ইয়াসমিন ও মরহুম আলী আহমেদকে আজীবন সম্মাননা দেওয়া হয়।

এছাড়া আলতাফ মাহমুদ, ফেরদৌস আরা, ডি এ তায়েব, আসনা হাবিব ভাবনা, রিজিয়া পারভীন, রবি চৌধুরী, মনির খান, আলম আরা মিনু, হুমায়রা বশির, রাজা বশির, জারিন তাসনিম, চিত্রনায়িকা নতুন, খুরশিদ আলমসহ আরও বেশ কয়েকজন গুণী শিল্পীকে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ক্রেস্ট ও উত্তরীয় পরিয়ে দেওয়া হয়।

সার্ক চলচ্চিত্র সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি রেদোয়ান খন্দকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটি অব বাংলাদেশ (ট্রাব)-এর সভাপতি সালাম মাহমুদ।

Manual6 Ad Code