ঢাকা ১৮ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৯:৫০ পূর্বাহ্ণ, মে ১৮, ২০২৬
সিলেট জেলার জৈন্তাপুর সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে নারী-শিশুসহ ১৩ অনুপ্রবেশকারী এবং মানবপাচারকারী চক্রের এক সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।
রোববার (১৭ মে) উপজেলার নিজপাট ইউনিয়নের উজানীনগর গ্রামের আব্দুল করিমের বাড়ি থেকে লুকিয়ে থাকা এসব ব্যক্তিকে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশে দেয়।
এ সময় শাড়ি পরে পলায়নকালে মো. হানিফ মিয়া নামে মানবপাচারকারী চক্রের এক সদস্যকেও আটক করা হয়।
পরে খবর পেয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আটক ব্যক্তিদের হেফাজতে নেয়।
স্থানীয়রা জানান, মানবপাচারকারী চক্রের সদস্যরা সীমান্তের ওপার থেকে ২০ থেকে ৫০ হাজার রুপি চুক্তিতে অনুপ্রবেশ করায়। গভীর রাতে অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকারী ওই ১৩ জনকে দালাল চক্রের সহায়তায় একটি তিনতলা ভবনে গোপনে রাখা হয়।
স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে অভিযুক্ত হানিফ মিয়াকে ধরতে যান। সে শাড়ি পরে পালানোর চেষ্টাকালে জনতা ধাওয়া করে তাকে আটকের পর পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।
পুলিশ ওই ভবন থেকে ৯ জন নারী, ৩ জন পুরুষ ও একজন শিশু এবং পাচারকারীসহ মোট ১৪ জনকে আটক করে। আটক ব্যক্তিরা বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার নাগরিক। তবে তারা ভারত থেকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।
আটক মানবপাচারকারী চক্রের হোতা মো. হানিফ মিয়া (৩৫) জৈন্তাপুর উপজেলার ডিবিরহাওর গ্রামের সাহেব মিয়ার ছেলে। সে মানবপাচার চক্রের মূল হোতা বলে জানিয়েছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা বিভিন্ন সময়ে অবৈধভাবে ভারতে যাতায়াত করার তথ্য দিয়েছে।
জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা বলেন, ভারত ফেরত ১৩ জন নারী পুরুষকে রোববার দুপুরে একটি বাড়ি থেকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সোমবার তাদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হবে।
তিনি বলেন, আটকদের বাড়ি বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায়। তারা অবৈধভাবে ভারত থেকে দেশে ফিরে জৈন্তাপুরের একটি বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। যার মাধ্যমে দেশে ফিরেছেন সেই দালালকেও আটক করা হয়েছে।
Design and developed by sylhetalltimenews.com