ঢাকা ১৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৮:৫৪ পূর্বাহ্ণ, মে ১৬, ২০২৬
সিলেটে চার বছরের শিশু ফাহিমা হত্যার বিষয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন ফাহিমার চাচা ইমাম আহমেদ। তার কথায় বের হয়ে এসেছে অনেক অজানা তথ্য। তার দেওয়া তথ্যমতে, হত্যাকাণ্ডটি জাকির একা ঘটিয়ে থাকলেও, লাশ গুমের চেষ্টায় পুরো পরিবারই জড়িত ছিল। এমনকি ফাহিমার পরিবারের মনযোগ অন্যদিকে ঘুরাতে চেষ্টা চালিয়ে গেছে জাকিরের বড় ভাই জয়নাল। অথচ জয়নাল ও ফাহিমার চাচা ইমাম আহমেদ পরস্পরের বন্ধু। দুই পরিবারের মধ্যেও ছিল বেশ ভাল সম্পর্ক।
Travel Guides & Travelogues
তিনি বলেন, আমি সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালাই, এই পাষণ্ড জাকিরও সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালায়। আমাদের বাড়ির পাশেই তার বাড়ি। তিনিসহ তার মা-ভাই-ভাবি সবাই নিয়মিত আমাদের বাড়িতে আসা যাওয়া করতেন। তার মা ঘুম থেকে উঠে প্রতিদিন এসে আমাদের বাড়িতে চা খেতেন। এই সম্পর্কের মধ্যেও জাকির আমার ভাতিজির সঙ্গে এ কাজ করবে আমরা কেউ ভাবতে পারিনি।
তিনি বলেন, ফাহিমা নিখোঁজের পর তাদের পরিবারের সবাই আমাদের সঙ্গে সঙ্গে থেকে ফাহিমাকে খুঁজেছেন, তাই তার পরিবার যে এ বিষয়ে জানে এটা আমাদের ধরনার বাইরে ছিল।
তিনি বলেন, যে ডোবার পাশে ফাহিমার মরদেহ পাওয়া গেছে সেটা অনেক নোংরা, সেখানে কেউ নামে না। কিন্তু ফাহিমাকে খুঁজতে জাকির এই নোংরা ডোবাতে নেমে যায়। তিনি যে খুনি সেটা যেন আমরা সন্দেহ না করি সেজন্য এসব করেছে। তার বড় ভাই জয়নালও সব জানতো, তার বড় ভাইয়ের সঙ্গে আমার চলাফেরা ছিল, কিন্তু তারপরও জাকিরের বড় ভাই আমাকে কিছু বলেনি। ফাহিমাকে যখন জাকির হত্যা করে তার মা তার ঘরে ছিল, তার বড় ভাইয়ের বউ ছিল, তারা সব জানতো কিন্তু কেউ একবারও আমাদেরকে কিছু বলেনি, শুধু জাকিরের বউ ঘরে ছিল না। এ ছাড়া তার পরিবারের সবাই এ ঘটনায় জড়িত।
ইমাম আহমদ বলেন, জাকিরের পাশাপাশি তার ভাই জয়নালও যে জড়িত সেটা আমি বুঝতে পেরেছি জালালাবাদ থানার ওসি সাহেব যখন আমার সঙ্গে কথা বললেন তখন। ওসি সাহেব আমাকে ডাকিয়ে নিয়ে জিজ্ঞেস করেন আমরা কাউকে সন্দেহ করছি কি না। তখন আমি ওসি স্যারকে বললাম আমাদেরতো শত্রু নাই কার নাম দিমু। তখন তিনি আমার কাছে জানতে চাইলেন জাকিরকে চিনি কি না। আমি বললাম জাকির আমাদের এলাকার ভাই। তিনি তো সবসময় আমাদের সঙ্গে ছিল তাকে কীভাবে সন্দেহ করব? তখন তিনি বললেন জাকিরকে তার সঙ্গে দেখা করিয়ে দিতে।
Design and developed by sylhetalltimenews.com