নীলসাগরের ৯টি বগি লাইনচ্যুত, উদ্ধার বাকি ৫টি

প্রকাশিত: ১১:২৭ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ১৯, ২০২৬

নীলসাগরের ৯টি বগি লাইনচ্যুত, উদ্ধার বাকি ৫টি

Manual4 Ad Code

বগুড়ার সান্তাহার রেলওয়ে জংশনের অদূরে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটিগামী ‘নীলসাগর এক্সপ্রেস’ ট্রেনের কোচ লাইনচ্যুতির ঘটনায় উদ্ধারকাজ পুরোদমে চলছে।

Manual1 Ad Code

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল ৮টা পর্যন্ত দুর্ঘটনা কবলিত ৯টি কোচের মধ্যে ৪টি উদ্ধার করে ঈশ্বরদীতে পাঠানো হয়েছে। রেললাইন থেকে বাকি ৫টি কোচ সরানোর কাজ এখনও চলমান রয়েছে।

সান্তাহার রেলওয়ে জংশনের ইনচার্জ খাতিজা খাতুন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়া কোচের মধ্যে উদ্ধার হওয়া কোচগুলো পাবনার ঈশ্বরদীতে পাঠানো হয়েছে। বাকি কোচগুলো উদ্ধারে কাজ চলমান রয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এই কোচগুলো উদ্ধার হবে। একইসাথে লাইন মেরামতের কাজও চলমান রয়েছে।

এরআগে বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে সান্তাহার জংশন থেকে ছাড়ার কিছুক্ষণ পরই আদমদীঘি উপজেলার বাগবাড়ী এলাকায় ট্রেনটির ৯টি বগি লাইনচ্যুত হয়।

Manual2 Ad Code

প্রত্যক্ষদর্শী ও রেলওয়ে সূত্র জানায়, লাইনে সংস্কার কাজ চলায় সেখানে লাল পতাকা দিয়ে সতর্কতা সংকেত দেওয়া ছিল। তবে চালক সেই সংকেত না মেনে ট্রেনে নিয়ে যাওয়ায় এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ৬৬ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। আহতরা নওগাঁ জেনারেল হাসপাতাল এবং আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।

Manual2 Ad Code

ঘটনার সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে পাবনার ঈশ্বরদী ও দিনাজপুরের পার্বতীপুর থেকে দুটি উদ্ধারকারী ট্রেন (রিলিফ ট্রেন) ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই অভিযানে এখন পর্যন্ত ৪টি বগি লাইনে তুলে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে।

এ ঘটনায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন উত্তরবঙ্গের কয়েক হাজার যাত্রী। পরিস্থিতি সামাল দিতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ‘ট্রান্সশিপমেন্ট’ পদ্ধতি চালু করেছে। এ পদ্ধতিতে দুর্ঘটনাস্থলের একপাশে ট্রেন থেকে যাত্রীরা নেমে হেঁটে বা কোন যানবাহনে লাইনচ্যুত অংশ পার হয়ে অন্যপাশে অপেক্ষমান ট্রেনে গিয়ে উঠছেন।

Manual8 Ad Code