হা*ম*লা*র ভয়ে স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে বাড়ি ছাড়া মৌলভীবাজারের ছালাম

প্রকাশিত: ১১:২৪ অপরাহ্ণ, মে ১৭, ২০২৬

হা*ম*লা*র ভয়ে স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে বাড়ি ছাড়া মৌলভীবাজারের ছালাম

Manual7 Ad Code

শয়ন ঘরে প্রবেশ করে প্রতিবন্ধী কিশোরীসহ পরিবারের সদস্যদের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেন সদর উপজেলার হামরকোনা গ্রামের ভুক্তভুগি পরিবার। প্রতিবন্ধী কিশোরীর বাবা ভুক্তভোগী সিএনজি চালক শেখ ছালাম অভিযোগ করেন একই এলাকার সন্ত্রাসী শেখ জুয়েল এর ভয়ে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে নিজ ভিটে মাটিতে যেতে পারছেন না।

Manual1 Ad Code

রবিবার (১৭ মে) দুপুরে মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য এসব অভিযোগ তুলে ধরেন ভুক্তভোগী।

Manual5 Ad Code

লিখিত বক্তব্য বলেন, “মৌলভীবাজার সদর উপজেলার খলিলপুর ইউনিয়নের হামরকোনা গ্রামের শেখ ছালাম গত রমজান মাসে সন্ত্রাসী শেখ জুয়েল তাকে স্থানীয় মসজিদে অন্যায় ভাবে মারপিট করে গুরুতর আহত করে। বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিগন আপোষে মীমাংসা নিষ্পত্তি করে দিলেই  এরই জের থেকে যায়। তার প্রতিবন্ধী মেয়ে সালমা আক্তার (১৭) বাড়ীর পুকুর ঘাটে কাজ করিতে থাকা অবস্থায় গত ২২ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে শেখ জুয়েলের স্ত্রী আখি বেগম ও তার মা খয়রুন নেছা অশ্রীল ভাষায় গালিগালাজ করিতে থাকেন। আমার মেয়ে ইহার প্রতিবাদ করায় ক্ষিপ্ত হয়ে সন্ত্রাসী শেখ জুয়েল তাকে প্রাণে হত্যা করার উদ্যাশে বসতঘরে প্রবেশ করে ধারালো দা দিয়ে এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। হামলায় ডান হাতের কবজি বেশির ভাগ খন্ডিত ও রক্তাক্ত জখম হয়। এছাড়া তার শরিরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে রক্তাক্ত করে। এসময় তার পরিধানের কাপড় ধরিয়া টানা হেছড়া ও বিবস্ত্র করে শ্লীলতাহানি ঘটায়। মেয়ের চিৎকার শুনে বাবা শেখ ছালাম মেয়ে রক্ষা করার জন্য এগিয়ে আসলে তার অপর সহযোগী আক্কাছ মিয়া ছালামের লক্ষ্য করে ডান হাতের কনুই এর কাছে রক্তাক্ত জখম হয়। এক পর্যায়ে হামলাকারী শেখ জুয়েল ও তার সহযোগীরা বসতঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র এবং ঘরের দরজা-জানালা ভাংচুর করে ক্ষতি সাধন করে। এ সময় চিৎকার শুনে প্রতিবেশী লোকজন তাদেরকে উদ্ধার করে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে ২২ এপ্রিল ভর্তি করেন। আশংকাজনক থাকায় প্রতিবন্ধী কিশোরীকে সিলেট এমএজি ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। চিকিৎসা গ্রহন শেষে ২৫ মে রিলিজ নিয়ে নিজ বাড়িতে ফেরার চেষ্টা করেন। সন্ত্রাসী জুয়েলের ভয়ে হাসপাতাল থেকে নিজ বাড়িতে না গিয়ে তাদের আত্মীয় বাড়িতে আশ্রয় নেন। এ পর্যন্ত সন্ত্রাসী জুয়েলের ভয়ে বাড়িতে যেতে পারিনি। এ বিষয়ে মৌলভীবাজার মডেল থানা পুলিশ মামলা না নেয়ায়, মৌলভীবাজার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট, ১নং আমলী আদালতে (সিআর মামলা নং-৩০৫/২০২৬ইং (সদর) শেখ জুয়েলকে প্রধান আসামী করে দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে, মৌলভীবাজার মডেল থানা মামলা (মামলা নং-০৪/১২৬, তারিখ : ০১/০৫/২০২৬ইং) রুজু হলেও এ পর্যন্ত কোন আসামী গ্রেফতার করা হয়নি। এদিকে সন্ত্রাসী জুয়েল কৌশলে উল্টো শেখ ছালাম ও তার পরিবারের সদস্যদের জড়িয়ে তার মাতা খয়রুন নেছাকে দিয়ে মৌলভীবাজার মডেল থানায় গত ১/৫/২০২৬ মিথ্যা মামলা দায়ের করান। অপরদিকে, শেখ জুয়েলও নিজে মৌলভীবাজার নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট-আদালতে ঘটনার তারিখ ৩/৫/২০২৬ দেখিয়ে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন।”

Manual3 Ad Code