যে অবিশ্বাস্য রেকর্ডে মিল আছে মেসি ও রোনালদোর

প্রকাশিত: ১২:৪০ অপরাহ্ণ, জুন ২৪, ২০২৬

যে অবিশ্বাস্য রেকর্ডে মিল আছে মেসি ও রোনালদোর

Manual6 Ad Code

ফুটবল ইতিহাসের দুই মহাতারকা লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো দীর্ঘদিন ধরে প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রতীক হয়ে আছেন। তবে এবার বিশ্বকাপের মঞ্চে তারা এমন একটি বিরল রেকর্ডে একসঙ্গে নাম লিখিয়েছেন, যা তাদের অসাধারণ দীর্ঘ ক্যারিয়ারেরই প্রতিফলন।

Manual6 Ad Code

Advertisement

Manual3 Ad Code

বিশ্বকাপে কোনো খেলোয়াড়ের প্রথম ও সর্বশেষ গোলের মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানের রেকর্ড এখন যৌথভাবে ধরে রেখেছেন মেসি ও রোনালদো। দুজনের ক্ষেত্রেই এই সময়ের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ২০ বছর ১১ দিন।

Manual5 Ad Code

রোনালদো ২০০৬ সালের ১৭ জুন ইরানের বিপক্ষে ম্যাচে বিশ্বকাপে নিজের প্রথম গোল করেছিলেন। সম্প্রতি উজবেকিস্তানের বিপক্ষে গোল করে তিনি সেই গোলযাত্রাকে ২০ বছর ১১ দিনের ব্যবধানে পৌঁছে দেন।

অন্যদিকে, মেসি বিশ্বকাপে প্রথম গোলের দেখা পেয়েছিলেন ২০০৬ সালের ১৬ জুন সার্বিয়ার বিপক্ষে। পরে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে গোল করে তিনিও প্রথম ও সর্বশেষ গোলের মধ্যে একই ২০ বছর ১১ দিনের ব্যবধান স্পর্শ করেন।

দুই কিংবদন্তির এই পরিসংখ্যানগত মিল ফুটবলপ্রেমীদের কাছে বিশেষভাবে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ধারাবাহিকতা বজায় রেখে খেলার বিরল উদাহরণও এটি।

শুধু এই রেকর্ডই নয়, বিশ্বকাপে আরেকটি বিশেষ অর্জনেও জায়গা করে নিয়েছেন মেসি ও রোনালদো। তারা এখন সেই ফুটবলারদের তালিকায় যুক্ত হয়েছেন, যারা নিজ দেশের হয়ে বিশ্বকাপে সবচেয়ে কম বয়সে এবং সবচেয়ে বেশি বয়সে গোল করার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন।

এর আগে এই অনন্য অর্জনের তালিকায় একমাত্র নাম ছিল ডেনমার্কের কিংবদন্তি মাইকেল লাউড্রপের। এবার মেসি ও রোনালদোও সেই সম্মানজনক তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন।

Manual2 Ad Code

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে মেসি প্রথম গোল করেছিলেন ১৮ বছর ৩৫৭ দিন বয়সে। আর অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে তার সর্বশেষ গোলের সময় বয়স ছিল ৩৮ বছর ৩৬৩ দিন। অন্যদিকে, রোনালদো পর্তুগালের হয়ে প্রথম বিশ্বকাপ গোল করেন ২১ বছর ১৩২ দিন বয়সে এবং উজবেকিস্তানের বিপক্ষে সর্বশেষ গোল করার সময় তার বয়স ছিল ৪১ বছর ১৩৮ দিন।

একসময় মাঠের লড়াইয়ে মুখোমুখি থাকা এই দুই কিংবদন্তি এখন রেকর্ডের পাতায় পাশাপাশি অবস্থান করছেন। তাদের দীর্ঘস্থায়ী সাফল্য ও ধারাবাহিকতা ফুটবল ইতিহাসে বিশেষ স্থান করে নিয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এটি স্মরণীয় হয়ে থাকবে।