ঢাকা ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ২:৫৬ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৪, ২০২৫
আন্তর্জাতিক ডেস্ক :পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসিম মুনিরকে নতুন করে প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান (সিডিএফ) হিসেবে নিয়োগ দেয়ার পর তার মেয়াদ পুনরায় শুরু হবে। বৃহস্পতিবার জাতীয় পরিষদে উত্থাপিত এক বিলে এ কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন জিও নিউজ। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাজা আসিফ সেনা আইনে সংশোধন আনার বিলটি জাতীয় পরিষদে উত্থাপন করার পর আইনমন্ত্রী আজম নাজীর তারার বলেন, সিডিএফের মেয়াদ তার নিয়োগের তারিখ থেকে পাঁচ বছর হবে। মন্ত্রী এই মন্তব্য করেন সেই সংসদীয় অধিবেশনে যেখানে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর আইনে সংশোধনী বিলগুলো পাস হয়।বিলে বলা হয়েছে, সংবিধানের ২৪৩ অনুচ্ছেদের অধীনে সেনাবাহিনীর প্রধান একইসঙ্গে প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করলে, এই ধারার অধীনে তার মেয়াদ উল্লিখিত পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারির তারিখ থেকে গণনা শুরু হবে।
এছাড়া, সরকার সেনাপ্রধান ও সিডিএফের দায়িত্ব, কার্যাবলী ও কর্তৃত্ব নির্ধারণ করবে। এর মধ্যে বহুমাত্রিক সমন্বয়, প্রয়োজনীয় পুনর্গঠন এবং সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ যৌথ কার্যক্রম নিশ্চিত করা সম্পর্কিত দায়িত্বও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। বিলে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তান সেনাবাহিনীর জেনারেলদের মধ্য থেকে জাতীয় কৌশলগত কমান্ডের প্রধান নিয়োগ দেবেন তিন বছরের জন্য। তা করা হবে সেনাপ্রধান ও সিডিএফের সুপারিশের ভিত্তিতে। জাতীয় কৌশলগত কমান্ডের কমান্ডারের চাকরির শর্তাবলি প্রধানমন্ত্রীর দ্বারাই নির্ধারিত হবে। এই পদে নিয়োগ পাওয়া জেনারেল তিন বছরের একটি অতিরিক্ত মেয়াদও পেতে পারেন- যা প্রধানমন্ত্রী সময় সময় জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে বা প্রয়োজন অনুযায়ী নির্ধারণ করবেন।
জাতীয় কৌশলগত কমান্ডের কমান্ডারের নিয়োগ, পুনঃনিয়োগ বা মেয়াদ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত, কিংবা এই বিষয়ে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের বিবেচনা- কোনো আদালতে কোনো কারণেই চ্যালেঞ্জ করা যাবে না, বিলে এমন উল্লেখ রয়েছে।বিলে বলা হয়েছে, সংবিধানের ২৪৩ অনুচ্ছেদের অধীনে সেনাবাহিনীর প্রধান একইসঙ্গে প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করলে, এই ধারার অধীনে তার মেয়াদ উল্লিখিত পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারির তারিখ থেকে গণনা শুরু হবে।
এছাড়া, সরকার সেনাপ্রধান ও সিডিএফের দায়িত্ব, কার্যাবলী ও কর্তৃত্ব নির্ধারণ করবে। এর মধ্যে বহুমাত্রিক সমন্বয়, প্রয়োজনীয় পুনর্গঠন এবং সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ যৌথ কার্যক্রম নিশ্চিত করা সম্পর্কিত দায়িত্বও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। বিলে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তান সেনাবাহিনীর জেনারেলদের মধ্য থেকে জাতীয় কৌশলগত কমান্ডের প্রধান নিয়োগ দেবেন তিন বছরের জন্য। তা করা হবে সেনাপ্রধান ও সিডিএফের সুপারিশের ভিত্তিতে। জাতীয় কৌশলগত কমান্ডের কমান্ডারের চাকরির শর্তাবলি প্রধানমন্ত্রীর দ্বারাই নির্ধারিত হবে। এই পদে নিয়োগ পাওয়া জেনারেল তিন বছরের একটি অতিরিক্ত মেয়াদও পেতে পারেন- যা প্রধানমন্ত্রী সময় সময় জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে বা প্রয়োজন অনুযায়ী নির্ধারণ করবেন।
জাতীয় কৌশলগত কমান্ডের কমান্ডারের নিয়োগ, পুনঃনিয়োগ বা মেয়াদ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত, কিংবা এই বিষয়ে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের বিবেচনা- কোনো আদালতে কোনো কারণেই চ্যালেঞ্জ করা যাবে না, বিলে এমন উল্লেখ রয়েছে।
Design and developed by sylhetalltimenews.com