লালাবাজার ঢাকা মহাসড়কে ময়লার ভাগাড়ের অপসারণের দায়িত্ব নিলেন জুবায়ের আহমদ লিটন

প্রকাশিত: ৮:০১ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১, ২০২৫

লালাবাজার ঢাকা মহাসড়কে ময়লার ভাগাড়ের অপসারণের দায়িত্ব নিলেন জুবায়ের আহমদ লিটন

Manual8 Ad Code

এমরান ফয়ছল  :লালাবাজার ঢাকা মহাসড়কে ময়লার ভাগাড় অপসারণের নিজ উদ্যোগে দায়িত্ব নিলেন লালাবাজার পাপড়ি রেষ্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী জুবায়ের আহমদ লিটন। সোমবার (১লা ডিসেম্বর) বিকেল ৪ টার ময়লার ভাগাড় অপসারণের কাজ শুরু করেন।

Manual3 Ad Code

 

Manual1 Ad Code

Manual6 Ad Code

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গত ২৫ নভেম্বর মঙ্গলবার কয়েকটি স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকা সহ সিলেটের বিভিন্ন পত্রিকায় “লালাবাজার ঢাকা মহাসড়কে ময়লার ভাগাড় দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ” শিরোনামে নিউজ প্রকাশিত হয়, যেহেতু আমার একটি রেষ্টুরেন্ট পাপড়ি নামে রয়েছে বেশিরভাগই দ্বায়টুকু আমার উপরেই ভর্তায়। কিন্তু এখানে বাজারে ফলব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সব দোকানের ময়লাটুকু ফেলা হয় আর যাতে কেউ ময়লা না ফেলতে পারে। তাই আমি বর্তমানে নেটে ঝালি দিয়ে বেড়া দিয়ে দিয়েছি। পরবর্তীতে সেগুলা অন্যত্র সরানোর ব্যবস্থা করা হবে।

 

দক্ষিণ সুরমা উপজেলার লালাবাজারের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ভাসিয়া নদীর ছোট একটি শাখার কালভার্টের ঢাকা মহাসড়কের পাশে ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছিলো। বাজার ও আশপাশের বাসিন্দাদের ফেলা ময়লা-আবর্জনায় প্রতিনিয়ত দূষিত হচ্ছিলো নদীর পানি, চারপাশে ছড়াচ্ছিল দুর্গন্ধ। এতে পরিবেশ নষ্টের পাশাপাশি আশপাশের মানুষজন স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছিলেন।

লালাবাজার ঢাকা মহাসড়কের কালভার্টের এক পাশে ফেলা হত ময়লা। দুর্গন্ধে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা কষ্টকর ছিলো। বাজারের কয়েকশ দোকানের আবর্জনা নিয়মিতভাবে এখানে ফেলা হত।

Manual2 Ad Code

স্থানীয়রা জানান, কয়েক বছর ধরে ব্যবসায়ী, রেস্তোরাঁ মালিক, মাছ-মাংস ও তরকারি বিক্রেতারা বস্তায় করে ময়লা ফেলে আসছিলেন। এতে দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছিলেন এলাকাবাসী ও পথচারী। তারা আরও বলেন, আমরা এখন এই দুষিত দুর্গন্ধ আর বাতাস থেকে একটু হলেও নিস্তার পাবো।