ঢাকা ৪ঠা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৯শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ৩, ২০২৬
গুনাহ মাফ ও তাকওয়া অর্জনের মাস রমজান। মহান রাব্বুল আলামিন মুমিনদের জন্য অফুরন্ত সওয়াব অর্জনের সুযোগ রেখেছেন এ মাসে। আরবি বর্ষপঞ্জিকার নবম এই মাসে অল্প আমলেই অনেক বেশি সওয়াব অর্জনের সুযোগ রয়েছে। আবার মহিমান্বিত এই মাসে বান্দা রোজা রাখার ফলে আখিরাতে তা ঢাল হয়ে কাজ করবে। নবীজি (সা.) বলেছেন—
الصِّيَامُ جُنَّةٌ
‘সিয়াম (রোজা) ঢাল স্বরূপ।’ (মুসলিম ২৫৯৫)
অন্যদিকে পবিত্র রমজান মাসেই মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কুরআন নাজিল করেছেন। ইরশাদ হয়েছে—
شَهۡرُ رَمَضَانَ الَّذِیۡۤ اُنۡزِلَ فِیۡهِ الۡقُرۡاٰنُ هُدًی لِّلنَّاسِ وَ بَیِّنٰتٍ مِّنَ الۡهُدٰی وَ الۡفُرۡقَانِ ۚ فَمَنۡ شَهِدَ مِنۡكُمُ الشَّهۡرَ فَلۡیَصُمۡهُ ؕ وَ مَنۡ كَانَ مَرِیۡضًا اَوۡ عَلٰی سَفَرٍ فَعِدَّۃٌ مِّنۡ اَیَّامٍ اُخَرَ ؕ
‘রমজান মাস- যার মধ্যে কুরআন নাযিল করা হয়েছে লোকেদের পথ প্রদর্শক এবং হেদায়াতের সুস্পষ্ট বর্ণনারূপে এবং সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারীরূপে। কাজেই তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি এ মাস পাবে, সে যেন এ মাসে রোজা রাখে আর যে পীড়িত কিংবা সফরে আছে, সে অন্য সময় এ সংখ্যা পূরণ করবে।’ (সুরা বাকারা, আয়াত: ১৮৫)
এজন্য প্রাপ্তবয়স্ক প্রত্যেকের জন্য রমজান মাসে রোজা রাখাকে ফরজ করা হয়েছে। পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে—
یٰۤاَیُّهَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا كُتِبَ عَلَیۡكُمُ الصِّیَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَی الَّذِیۡنَ مِنۡ قَبۡلِكُمۡ لَعَلَّكُمۡ تَتَّقُوۡنَ
‘হে মুমিনগণ, তোমাদের ওপর সিয়াম (রোজা) ফরজ করা হয়েছে, যেভাবে ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর। যাতে তোমরা তাকওয়া অবলম্বন কর।’ (সুরা বাকারা: আয়াত: ১৮৩)
Design and developed by sylhetalltimenews.com