বেখবর সীমান্ত, থামছে না চো*রা*চা*লা*ন

প্রকাশিত: ১২:৪৩ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ৮, ২০২৬

বেখবর সীমান্ত, থামছে না চো*রা*চা*লা*ন

Manual6 Ad Code

সিলেটের সীমান্তগুলো সবসময় কঠোর নজরদারিতে থাকলে সীমান্তের চোরাইপথ ব্যবহার করে অবাধে আসছে চোরাচালান চোরাচালান করা পণ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখকে ফাঁকি দিয়ে গাড়ি দিয়ে সিলেটে নিয়ে আসা হয় কিছু কিছু চালান মজুদ করার পর পুলিশের কাছে ধরা পড়লেও অধিকাংশ চালান সড়কে রফদফার পরপর তার গন্তব্যে চলে যায় ঈদকে সামনে রেখে সিলেট সীমান্তে তাদের তৎপরতা শুরু করেছে চোরাচাকারবারিরা

 

Manual7 Ad Code

বিশেষ করে ঈদের কাপড়, মসলা ও প্রসাধনসামগ্রী চোরাই পথে নিয়ে আসার পাশাপাশি ইয়াবা ও বিদেশী বিভিন্ন ব্রান্ডের মদ এবং উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন বিস্ফোরক নিয়ে আসছে কারবারিরা। প্রশ্ন উঠেছে সড়কে পুলিশের চেকপোস্ট, এলাকা ভিত্তিক পুলিশের নজরদারি আর সাজানোগোছানো তৎপরতার পর কিভাবে চোরাচালান পণ্য সিলেটে প্রবেশ করছে? এছাড়া সিলেট সীমান্ত দিয়ে জ্বালানী তেল পাচাররোধে এবার নজরদারি বৃদ্ধি করেছে বিজিবি। নজরদারির পাশাপাশি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছে বিজিবি (৪৮) সিলেট ব্যাটালিয়ন।

Manual3 Ad Code

জানা গেছে, চোরাইপথে নিয়ে আসা এসব পণ্য শুধু সিলেট নয়, দেশের বিভিন্ন বাজারেও যাচ্ছে। ইতোমধ্যে একাধিক চালানও উদ্ধার করেছে বিজিবি ও পুলিশ। পুরোনো ব্যবসায়ীরাই চোরাই পথে ভারতীয় পণ্য আমদানির সঙ্গে জড়িত। লাইন নিয়ন্ত্রণ (সীমান্ত পার করা ও পণ্যবাহী ট্রাক থেকে টাকা আদায়কারী) করছেন পুরাতন ও নতুনরা মিলেমিশে। সীমান্ত ও বিভিন্ন সড়কে চেকপোস্ট ফাঁকি দিয়ে প্রায় প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য বিভিন্ন কৌশলে সিলেটের বাজারসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে যাচ্ছে। সিলেটের গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর, কোম্পানীগঞ্জ, কানাইঘাট ও জকিগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে সারা বছরই বিভিন্ন ধরনের পণ্য চোরাচালান হয়। এরমধ্যে মাদক ছাড়াও রয়েছে সিগারেট, গরু-মহিষ, চা পাতা, ওষুধসামগ্রী, প্রসাধনী, শাড়ি, লেহেঙ্গা, মোবাইল হ্যান্ডসেট, জিরা, কম্বল ইত্যাদি। সেই সাথে আসছে বিস্ফোরকও আসে। গত দুই মাসে সিলেট র‌্যাব-৯ পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরকউদ্ধার করে সীমান্ত এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায়।এগুলো কারা নিয়ে আসছে কিভাবে আসছে তা আজও ধোঁয়াশার মধ্যে রয়েছে। রোজার মাস শুরুর পর ফলমূল, মসলা, ট্যাং ও মসলা জাতীয় পণ্য চোরাচালানে বেশি নজর দেন ব্যবসায়ীরা। গত কয়েকদিন ধরে ঈদকে সামনে রেখে পোশাকের দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে। ভারতীয় বিভিন্ন ধরেন শাড়ি, ওড়না, থ্রি-পিস, ড্রেস, পাঞ্জাবি এবং প্রসাধনসামগ্রী চোরাই পথে নিয়ে আসার চেষ্টা চলছে। ইতোমধ্যে একাধিক চালান সিলেট নগরীসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে নেওয়া হয়েছে।

 

Manual2 Ad Code

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ