ঢাকা ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ৮, ২০২৬
জনপ্রিয় টালিউড অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের আকস্মিক মৃত্যুতে শোকাছন্ন কলকাতার শোবিজ অঙ্গন। নন্দিত এই অভিনেতার মৃত্যুকে ঘিরে ক্ষোভে উত্তাল টালিগঞ্জের তারকারা। ২৯ মার্চ ওডিশার তালসারি সমুদ্রসৈকতে একটি ধারাবাহিকের শুটিং করতে গিয়ে সমুদ্রে ডুবে মারা যান রাহুল। এই ঘটনায় প্রযোজনা সংস্থার অব্যবস্থাপনা ও গাফিলতির কথা উঠে এসেছে বারবার।
এর জেরেই মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট ডাকা হয় টালিউডে। এ প্রসঙ্গে অভিনয়শিল্পীদের নিয়ে মিটিংয়ের আয়োজনও করা হয়। সেই মিটিংয়ে অন্য তারকাদের মতো অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রও হাজির হয়েছিলেন। কিন্তু মিটিংয়ের মাঝেই কাঁদতে কাঁদতে সেখান থেকে বের হয়ে যান তিনি।
কিন্তু কী এমন হয়েছিল যে মিটিংয়ের মাঝেই এভাবে কাঁদতে হলো শ্রীলেখাকে?
জানা গেছে, বৈঠকের মধ্যেই নাকি তর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন তিনি।
মাঝে মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা গণমাধ্যমে অভিনয়ের সুযোগ না পাওয়ার কারণ হিসেবে স্বজনপ্রীতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে শ্রীলেখাকে। আগেও অনেকবার প্রকাশ্যে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত ও প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন তিনি। শ্রীলেখার অভিযোগ, এই দুজনের জন্যই নাকি একের পর এক কাজের সুযোগ হারিয়েছেন তিনি।
শোনা যাচ্ছে, এদিনের বৈঠকেও সেই একই অভিযোগ তোলেন এ অভিনেত্রী। শুধু তাই নয়, দিনের পর দিন মানসিক হেনস্থা করা হয়েছে তাকে, এমন অভিযোগও করেন।
সব মিলিয়ে তার এই ব্যবহারে এক পর্যায়ে অভিনেতা প্রসেনজিৎ নাকি মেজাজ হারান। সঙ্গে অন্যান্য শিল্পীরাও তার ব্যবহারে বিরক্ত হন।
এ ঘটনা নিয়ে পরিস্থিতি একটা সময়ে সরগরম হয়ে ওঠে। ফলে একপর্যায়ে অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার সবাইকে থামানোর চেষ্টা করেন বলে জানা যায়। শুধু তাই নয়, শেষে প্রিয়াঙ্কা উপস্থিত সবার কাছে এই ঘটনার জন্য ক্ষমা চেয়ে বলেন, ‘এখানে অন্য একটা কারণে জড়ো হয়েছে সবাই। আমার ছোট বাচ্চা, তাকে আমি জানাব, তার বাবার ঠিক কী হয়েছিল।’
এই পরই নাকি শ্রীলেখা ওই মিটিং ছেড়ে কাঁদতে কাঁদতে বেরিয়ে যান।
Design and developed by sylhetalltimenews.com