সিলেট ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে মা/র/ধ/রের অভিযোগ প্রবাসীর

প্রকাশিত: ১০:২২ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৯, ২০২৬

সিলেট ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে মা/র/ধ/রের অভিযোগ প্রবাসীর

Manual5 Ad Code

ইতালি থেকে দেশে ফিরে অসুস্থ মাকে দেখতে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন নুর আলম নামের এক প্রবাসী।
নুর আলমের বাড়ি সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার দরগাপাশা গ্রামে।

 

Manual3 Ad Code

বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাতে হাসপাতালের পঞ্চম তলায় অপারেশন থিয়েটারের সামনে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।
নুর আলম জানান, ওটি এলাকায় চিকিৎসক ও রোগীর স্বজনদের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডার একপর্যায়ে তাঁর ১৪ বছর বয়সী ভাগনে, বোনসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।

সিলেট জেলা

Manual5 Ad Code

এ সময় তিনি নিজেও আক্রমনের শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেছেন। তিনি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন।
তিনি জানান, তিনি প্রায় সাড়ে তিন বছর পর ইতালি থেকে দেশে ফিরেছেন। দুদিন আগে দুর্ঘটনায় তাঁর মায়ের পা ভেঙে যায়। মাকে দেখতে দেশে ফিরে এমন অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হবেন, তা তিনি কল্পনাও করতে পারেননি। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি তিনি হাসপাতালে ছুটে যান। সেখানে গিয়ে তিনি পরিস্থিতি উত্তপ্ত দেখতে পান। বুধবার রাত পৌনে ১০টার দিকে হাসপাতালের পঞ্চম তলায় ওটি এলাকায় চিকিৎসক ও রোগীর স্বজনদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরে সেই উত্তেজনা চতুর্থ তলাতেও ছড়িয়ে পড়ে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘একপর্যায়ে তাঁর ১৪ বছর বয়সী ভাগনেকে মারধর করা হয়। ভাগনেকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে তাঁর বোনকেও মারধর করা হয়। আমি ইতালি থেকে মাকে দেখতে দেশে এসেছি। সাড়ে তিন বছর পর দেশে ফিরে হাসপাতালে এমন পরিস্থিতি দেখে আমি হতবাক। আমার ও আমার পরিবারের ওপর কেন হামলা হলো, আমি জানি না। আমি সবার কাছে এর বিচার চাই।’

পরিবারের সদস্যদের রক্ষা করতে গেলে তাঁকেও আক্রমণ করা হয় বলে দাবি করেন নুর আলম।
নুর আলমের দাবি, হামলায় জড়িত এক চিকিৎসকের নাম আল মামুন বলে তাঁর ভাগনে তাঁকে জানিয়েছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, ঘটনার সময় নীল পোশাক ও মাস্ক পরা একদল ব্যক্তি সেখানে অবস্থান করছিলেন। ঘটনার পর পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতে গিয়েও তাৎক্ষণিক সাড়া পাননি বলে দাবি করেন নুর আলম। পরে তিনি হাসপাতালের নিচতলায় পুলিশ বক্সে গিয়ে গেলে পুলিশের দেখা পান এবং তার ঘটনা বলেন।
তিনি বলেন, “এই সংঘর্ষের দৃশ্য ভিডিও ধারণ করতে গেলে এক সাংবাদিকও হামলার শিকার হন। এ ঘটনায় দুই সাংবাদিকসহ আরও কয়েকজনের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে।”

Manual3 Ad Code

মাকে দেখতে দেশে এসে নিজের ও পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে নুর আলম জানান, তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন।

 

Manual3 Ad Code