ঢাকা ১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১১:৪০ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২, ২০২৫
নিউজ ডেস্ক :দেশের বিভিন্ন স্থানে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা বন্ধ করে যে কর্মসূচি নিয়েছেন, তা সরকারি কর্মচারী বিধি লঙ্ঘন বলেই মন্তব্য করেছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার।
সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘এ ধরনের সিদ্ধান্তের কারণে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।’
শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আন্দোলনের নামে যা করছেন, তা সরকারি আচরণবিধি লঙ্ঘনের শামিল। সরকারি আচরণবিধি লঙ্ঘনের জন্য তাদের তৈরি থাকতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘অনেক বিদ্যালয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও অনেক বিদ্যালয়ে তা হয়নি।’ এ পরিস্থিতিকে তিনি ‘একেবারেই অনভিপ্রেত’ বলে উল্লেখ করেন।
গ্রেড উন্নীতকরণ নিয়ে শিক্ষকদের দাবির বিষয়ে ড. আবরার জানান, নবম গ্রেডে যাওয়ার দাবি অন্যায় ও অযৌক্তিক, কারণ নিয়োগের সময় তারা জানতেন তাদের অবস্থান দশম গ্রেডেই থাকবে।
তিনি বলেন, ‘নবম গ্রেডে বিসিএস অ্যাডমিন ক্যাডাররা আসেন। এটি আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বিষয়। যে কেউ হুট করে সেই গ্রেডে যেতে পারে না।’
শিক্ষার্থীদের পরীক্ষাকে আন্দোলনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করাকে তিনি চরম অনৈতিক বলে মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ‘যখন পরীক্ষা চলছে বা সামনে পরীক্ষা, সে সময় শিক্ষার্থীদের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা শিক্ষক হিসেবে অনৈতিক কাজ।’
এ অবস্থায় শিক্ষা উপদেষ্টা স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘আমরা তাদের অযৌক্তিক দাবি প্রত্যাখ্যান করছি। তাদের বলছি, আগামীকাল থেকেই পরীক্ষা নিন। অন্যথায় সরকারি কর্মচারী হিসেবে বিধি লঙ্ঘনের দায়ে যেসব শাস্তির বিধান রয়েছে, সেগুলোর মুখোমুখি হতে হবে।’
তিনি আরও জানান, জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে- ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে পরীক্ষা দিতে আগ্রহী। কিন্তু কিছু সংখ্যক শিক্ষক পরীক্ষা নিচ্ছেন না।
শেষে তিনি আবারও সতর্ক করে বলেন, ‘শিক্ষকরা আগামীকালই পরীক্ষা নেবেন। নাহলে তারা শাস্তির সম্মুখীন হবেন।’
Design and developed by sylhetalltimenews.com