আদালতের রায়ে চ্যাম্পিয়ন মরক্কো

প্রকাশিত: ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ১৯, ২০২৬

আদালতের রায়ে চ্যাম্পিয়ন মরক্কো

Manual7 Ad Code

অনেক নাটকীয়তার পর আফ্রিকান কাপ অব নেশন্সের (আফকন) চ্যাম্পিয়ন মরক্কো। গত জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ফাইনালে মরক্কোকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল সেনেগাল।

Manual3 Ad Code

কিন্তু আদালতের রায়ে বদলে গেলো চ্যাম্পিয়নের নাম; নতুন চ্যাম্পিয়ন মরক্কো। এই রায়ের ফলে ১৯৭৬ সালের পর প্রথমবারের মতো আফ্রিকান শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পরল মরক্কো।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বিশৃঙ্খলা ও নিয়ম ভঙ্গের দায়ে সেনেগালকে অযোগ্য ঘোষণা করে মরক্কোকে ৩-০ গোলে জয়ী ঘোষণা করেছে সিএএফ-এর আপিল বোর্ড।

Manual3 Ad Code

গত জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ফাইনালে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করছিল দুই দল। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে গোল আদায় করতে পারেনি কোনো দলই। ইনজুরি সময়ে মরক্কোর রিয়াল মাদ্রিদ তারকা ব্রাহিম দিয়াস ডি-বক্সে ফাউলের শিকার হলে ভিএআর দেখে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি।

Manual3 Ad Code

এই সিদ্ধান্তে খেপে গিয়ে সেনেগালের ফুটবলাররা প্রতিবাদ শুরু করেন। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে, কোচ পাপ ঝাও তার খেলোয়াড়দের মাঠ ছেড়ে ড্রেসিং রুমে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেন। গ্যালারি থেকে দর্শকরাও মাঠে ঢোকার চেষ্টা করে।

এরপর কিছুক্ষণ খেলা বন্ধ থাকার পর সেনেগালের ফুটবলাররা মাঠে ফিরে আসেন। তবে পেনাল্টি নিতে এসে চরম হতাশ করেন। তাদের দুর্বল ও নিচু শট গোলরক্ষক অনায়াসেই আটকে দেন। ফলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। ৯৪তম মিনিটে বুলেট গতির শটে গোল করে সেনেগালকে উৎসবের উপলক্ষ এনে দেন পাপ গেয়ি।

ম্যাচের পরই আদালতের দারস্থ হয়েছিল মরক্কো। তবে সেসময় প্রাথমিক শুনানিতে সেনেগালকে ১০ লাখ ডলার জরিমানা করা হলেও ফল অপরিবর্তিত ছিল। কিন্তু মরক্কোর ফুটবল ফেডারেশন সেই রায় মেনে নেয়নি। যে কারণে তারা রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে। এবার সেই আপিলের শুনানিতে ফলাফল তাদের পক্ষে গেল।

টুর্নামেন্ট বিধিমালার ৮২ নম্বর ধারা অনুযায়ী সেনেগালকে অযোগ্য ঘোষণা করে মরক্কোকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করেছে।

টুর্নামেন্ট বিধিমালার ৮২ নম্বর ধারায় বলা আছে, কোনো দল যদি রেফারির অনুমতি ছাড়া ম্যাচ শেষ হওয়ার আগে মাঠ ত্যাগ করে বা খেলতে অস্বীকৃতি জানায়, তবে তাদের পরাজিত ঘোষণা করা হবে। একই সঙ্গে ওই দলকে টুর্নামেন্ট থেকে চূড়ান্তভাবে বহিষ্কার করা হবে।

Manual1 Ad Code

তবে সেনেগালের সামনে সুযোগ আছে সুইজারল্যান্ডের লুজানে অবস্থিত ক্রীড়া আদালতে (সিএএস) আপিল করার।