বড়লেখায় আ*সা*মি গ্রে প্তা র, আদালতে স্বীকারোক্তি

প্রকাশিত: ১১:৫৮ অপরাহ্ণ, জুন ৭, ২০২৬

বড়লেখায় আ*সা*মি গ্রে প্তা র, আদালতে স্বীকারোক্তি

Manual1 Ad Code

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ডাকাতির চেষ্টাকালে গৃহকর্তাকে লক্ষ্য করে ছোড়া গুলিতে নিজ দলের এক সদস্য নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অপর ডাকাত আব্দুল করিম ওরফে রেজাউল করিম (৩৬)-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার বিকেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই দেবল চন্দ্র সরকারের নেতৃত্বে একদল পুলিশ সিলেটের দক্ষিণ সুরমা কদমতলী বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেন।

রোববার দুপুরে করিম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।  পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠান। তিনি সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার সেনাপতির চক গ্রামের মো. আব্দুল খালিকের ছেলে।

Manual1 Ad Code

 

Manual1 Ad Code

জানা গেছে, বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ লঘাটি গ্রামের আব্দুল কুদ্দুছের বাড়িতে গত ২৮ এপ্রিল রাত প্রায় ৩টার দিকে একদল অজ্ঞাতনামা ডাকাত ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। ওই বাড়িতে স্ত্রী, সন্তান ও ভাগ্নাকে নিয়ে বসবাস করছিলেন আব্দুল কুদ্দুছের নিকটাত্মীয় কাঞ্চনপুর গ্রামের গিয়াস উদ্দিন (৬০)। বসতঘরের পশ্চিম পাশে রান্নাঘরের কাঠের দরজা ভাঙার শব্দে গিয়াস উদ্দিনের স্ত্রীর ঘুম ভেঙে যায়। তিনি রান্নাঘরের কাছে গিয়ে দেখতে পান, ৬-৭ জন অজ্ঞাতনামা ডাকাত দরজা ভেঙে কলাপসিবল গেট ভাঙার চেষ্টা করছে। তখন গিয়াস উদ্দিনসহ পরিবারের সদস্যরা বিপরীত দিক থেকে কলাপসিবল গেট চাপ দিয়ে রাখেন, যাতে ডাকাতরা তালা ভাঙতে না পারে। গেট আটকে রাখার চেষ্টাকালে অজ্ঞাতনামা এক ডাকাত আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে গৃহকর্তা গিয়াস উদ্দিনকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। ভাগ্যক্রমে গুলিটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে ডাকাত দলের অপর সদস্য সাইফুল ইসলামের মাথায় বিদ্ধ হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে অন্যান্য ডাকাত তার মরদেহ ফেলে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় গৃহকর্তা গিয়াস উদ্দিন ২৮ এপ্রিল বড়লেখা থানায় মামলা দায়ের করেন।

Manual2 Ad Code

 

Manual3 Ad Code

বড়লেখা থানার ওসি মো. মানিরুজ্জামান খান জানান, পুলিশ ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছে। তদন্তে ধৃত আসামির ডাকাতির চেষ্টা ও হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে।  বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে শনিবার বিকেলে সিলেটের কদমতলী বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার তাকে আদালতে সোপর্দ করলে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তার বিরুদ্ধে সিলেটের বিয়ানীবাজার, কোতোয়ালি, দক্ষিণ সুরমা, জকিগঞ্জ ও হবিগঞ্জ সদর থানায় ৪টি ডাকাতি মামলাসহ মোট ৭টি মামলা রয়েছে। জবানবন্দি গ্রহণের পর আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ