লিবিয়ায় মানবপাচারকারী চক্রের হাতে জিম্মি বিশ্বনাথের ফয়সল

প্রকাশিত: ১০:০৪ পূর্বাহ্ণ, জুন ১১, ২০২৬

লিবিয়ায় মানবপাচারকারী চক্রের হাতে জিম্মি বিশ্বনাথের ফয়সল

Manual1 Ad Code

ভিটেমাটি বিক্রি করেও ছেলেকে মুক্ত করতে পারেনি পরিবার। লিবিয়ায় মা ন ব পা চা র কা রী চ ক্রে র হাতে জি ম্মি হয়ে অমানবিক নি র্যা ত নে র শিকার হচ্ছেন সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার তরুণ ফয়সল আহমদ। মুক্তিপণের দাবিতে পরিবারের কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা আদায় করলেও তাকে মুক্তি দেয়নি চ ক্র টি। এ অবস্থায় ফয়সলকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ ও সহায়তা চেয়েছেন তার স্বজনরা।

জানাযায়, দৌলতপুর ইউনিয়নের সাতপাড়া গ্রামের মদরিস আলীর ছেলে এসএসসি পাসের পর বিশ্বনাথ ডিগ্রি কলেজে ভর্তি হলেও প্রবাসে যাওয়ার স্বপ্নে আর পড়াশোনা এগোয়নি তার। ২০২৩ সালে জীবিকার সন্ধানে লিবিয়ায় পাড়ি জমান তিনি। সেখানে কিছুদিন কাজ করার পর উন্নত জীবনের আশায় ইউরোপে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন ফয়সল।

Manual7 Ad Code

এ সময় নবীগঞ্জের এরশাদ আলী নামের এক দালালের মাধ্যমে অ বৈ ধ ভা বে ইউরোপে যাওয়ার প্রক্রিয়ায় যুক্ত হন তিনি। যাত্রাপথে ফয়সল লিবিয়ার আ ই ন শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হন। পরে মা নব পা চা র কা রী চ ক্র তাকে নিজেদের নি য় ন্ত্র ণে নিয়ে যায়। এরপর থেকেই তাকে জি ম্মি করে পরিবারের কাছে বিপুল পরিমাণ মুক্তিপণ দাবি করা হচ্ছে। টাকা আদায়ে চ ক্র টি নিয়মিত ভিডিও কলে ফয়সলের ওপর চালানো নি র্যা ত নে র দৃশ্য দেখিয়ে পরিবারের সদস্যদের ওপর চাপ সৃ ষ্টি করে আসছে।

Manual1 Ad Code

ফয়সলের মা মিনারা বেগম জানান, প্রথমে ভিডিও কলে তার ছেলেকে দেখিয়ে ২৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পরে নি র্যা ত নের দৃ শ্য দেখিয়ে দ্রুত টাকা পাঠানোর জন্য চাপ দেওয়া হয়। অনেক অনুরোধের পর ৬ লাখ টাকার বিনিময়ে ফয়সলকে মু ক্তি দেওয়ার আশ্বাস দেয় চ ক্র টি। ছেলেকে ফেরত পাওয়ার আশায় পরিবার তাদের শেষ সম্বল ভিটেমাটি বিক্রি করে দালালের দেওয়া দেশের একটি বিকাশ নম্বরে টাকা পাঠায়। তবে টাকা পাওয়ার পরও ফয়সলকে মুক্তি দেওয়া হয়নি। বরং আরও অর্থ আদায়ের জন্য তার ওপর নি র্যা ত ন অব্যাহত রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে মিনারা বেগম বলেন, “আমার সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। এখন শুধু ছেলেটাকে জী বি ত ফিরে পেতে চাই। সরকারের কাছে আকুল আবেদন, আমার সন্তানকে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হোক।”

Manual6 Ad Code

স্থানীয় দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হাফিজ আরব খান বলেন, ফয়সলকে উ দ্ধা রে র আশায় পরিবার বাড়িঘর বিক্রি করে মু ক্তি প ণে র টাকা দিয়েছে। তারপরও তাকে ছাড়েনি মা ন ব পা চা র কা রী চ ক্র। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।

Manual7 Ad Code

এ বিষয়ে বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর ফয়সলের পরিবারকে থানায় ডেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। যে বিকাশ নম্বরে টাকা পাঠানো হয়েছে, সেটির সূত্র ধরে তদন্ত চলছে এবং সংশ্লিষ্টদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে।