২৮ জুন সিলেটে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন, সবার সহযোগীতা চাইলেন সিসিক প্রশাসক

প্রকাশিত: ১০:২৩ অপরাহ্ণ, জুন ২৪, ২০২৬

২৮ জুন সিলেটে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন, সবার সহযোগীতা চাইলেন সিসিক প্রশাসক

Manual7 Ad Code

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, মাঠপর্যায়ে যারা কাজ করেন, তাদের দক্ষতা ও আন্তরিকতার ওপরই জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের সফলতা নির্ভর করে। সততা, দক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করলে প্রতিবারের মতো এবারও এ কর্মসূচি সফল হবে। যে কোনো মূল্যে আমাদের জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফল করতে হবে।

আগামী ২৮ জুন অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে বুধবার (২৪ জুন) নগরভবনের সভাকক্ষে আয়োজিত পরিকল্পনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

Manual4 Ad Code

সিসিক প্রশাসক বলেন, এই ক্যাম্পেইন সফল করতে যেমন ব্যাপক প্রচার প্রয়োজন, তেমনি জনসচেতনতা বৃদ্ধিও অত্যন্ত জরুরি। গণমাধ্যমের পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের কর্মী, সামাজিক সংগঠন এবং সচেতন নাগরিকদেরও এ কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আমাদের সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, অভিভাবকদের উচিত নির্ধারিত দিনে নির্ধারিত বয়সী শিশুদের টিকাকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া। একই সঙ্গে জুমার খুতবায় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইনের গুরুত্ব তুলে ধরে মুসল্লিদের সচেতন করতে নগরীর মসজিদগুলোর ইমামদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী আরও বলেন, সিলেট নগরীতে প্রায় ১০ লাখ মানুষের বসবাস। আমরা সব সময় বিশিষ্টজনদের পরামর্শ নিয়ে নাগরিক সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনার চেষ্টা করছি। শুধু স্বাস্থ্যখাতেই নয়, বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রেই সিটি কর্পোরেশন সফলতার পরিচয় দিচ্ছে। এ সাফল্যের পেছনে নগরবাসীর সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এজন্য তিনি নগরবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন সিসিকের সচিব মো. আশিক নূর, ইউনিসেফ বাংলাদেশের সিলেট অফিসের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মির্জা ফজলে এলাহী, সিলেট সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অভিজিৎ কুমার পাল এবং ইমাম সমিতি সিলেট মহানগর শাখার সভাপতি হাবীব আহমদ শিহাব।

Manual1 Ad Code

সভায় সিসিকের বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. আবুল ফজল খোকনসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তা, মেরিস্টোপস ক্লিনিক, নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র, সীমান্তিক সিলেট, সুখের হাসি, এসএসকেএস, রোভার স্কাউট এবং রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং রাতকানা প্রতিরোধে বাংলাদেশে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পরিচালিত হয়ে থাকে। সাধারণত বছরে দুবার ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের বিনামূল্যে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়।

Manual1 Ad Code

আগামী ২৮ জুন দেশব্যাপী জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে। এদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সরকারি হাসপাতাল, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র, কমিউনিটি ক্লিনিক এবং নির্ধারিত অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

ক্যাম্পেইনের আওতায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের একটি লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

Manual8 Ad Code