কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষাকে বাধাগ্রস্ত করে

প্রকাশিত: ৮:৪১ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ২, ২০২৫


Manual7 Ad Code

কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষাকে বাধাগ্রস্ত করে রাজপথে আন্দোলন করছেন শিক্ষকরা। এই আন্দোলনে অচলাবস্থা বিরাজ করছে বিদ্যালয়গুলোতে। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হয়নি বার্ষিক পরীক্ষাও। সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা প্রবেশ পদটি (সহকারী শিক্ষক) বিসিএস ক্যাডারভুক্ত করাসহ চার দফা দাবিতে সোমবার থেকে পূর্ণ দিবস কর্মবিরতি কর্মসূচি পালন করছেন। এদিকে পরীক্ষা নেয়ার জন্য নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। এদিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও রয়েছেন আন্দোলনে। দেশের বিভিন্ন স্থানে চলমান বার্ষিক পরীক্ষা নেয়া হয়নি।
সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আন্দোলন করছেন চার দাবিতে। তাদের দাবি- সহকারী শিক্ষক পদকে বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারভুক্ত করে ‘মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের গেজেট প্রকাশ, বিদ্যালয় ও পরিদর্শন শাখায় কর্মরত শিক্ষকদের বিভিন্ন শূন্য পদে নিয়োগ, পদোন্নতি ও পদায়ন দ্রুত কার্যকর করা, সুপ্রিম কোর্টের রায়ের আলোকে বকেয়া টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেডের মঞ্জুরি আদেশ দেয়া এবং ২০১৫ সালের আগের মতো সহকারী শিক্ষকদের দুই থেকে তিনটি ইনক্রিমেন্টসহ অগ্রিম বর্ধিত বেতন-সুবিধা বহাল করে গেজেট প্রকাশ।

Manual2 Ad Code

সোমবার পূর্ব-ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশের অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। ‘বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি’র ব্যানারে ঘোষিত এ কর্মসূচি সারা দেশের অনেক প্রতিষ্ঠানে পালিত হয়। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মবিরতি পালন হয় এবং পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। রোববার শিক্ষক নেতারা ঘোষণা দেন, সরকার যদি তাদের দাবি পূরণ করে তাহলে সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার অবশিষ্ট পরীক্ষাগুলো নেবেন এবং ডিসেম্বরের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করবেন। তবে দাবি পূরণ না হলে কর্মবিরতি চলবে।সোমবার পূর্ব-ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশের অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। ‘বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি’র ব্যানারে ঘোষিত এ কর্মসূচি সারা দেশের অনেক প্রতিষ্ঠানে পালিত হয়। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মবিরতি পালন হয় এবং পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। রোববার শিক্ষক নেতারা ঘোষণা দেন, সরকার যদি তাদের দাবি পূরণ করে তাহলে সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার অবশিষ্ট পরীক্ষাগুলো নেবেন এবং ডিসেম্বরের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করবেন। তবে দাবি পূরণ না হলে কর্মবিরতি চলবে।

এদিকে সোমবার পরীক্ষা নেয়ার জন্য নির্দেশনা জারি করেছে মাউশি। অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহে নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক এবং স্কুল অ্যান্ড কলেজের মাধ্যমিক স্তরের বার্ষিক, নির্বাচনী ও  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, এসব পরীক্ষা কার্যক্রম বিনা ব্যর্থতায় নির্ধারিত সময়ে সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। এ পরীক্ষাসমূহ গ্রহণে শিক্ষক-কর্মকর্তার কোনো প্রকার শৈথিল্য বা অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।এদিকে কর্মবিরতি চলছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও। সোমবার দেশের বিভিন্ন স্থানে পরীক্ষা হয়নি এবং অনেক স্থানে বিলম্বে শুরু হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষকদের তিন দাবি। এতে সারা দেশের সাড়ে ৬৫ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান কার্যত স্থবির হয়ে গেছে। রোববার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সরকারের তরফ থেকে আশ্বাস দেয়া হয় প্রাথমিক শিক্ষকদের। মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সহকারি শিক্ষকদের বেতন স্কেল উন্নীতকরণের বিষয়ে পে-কমিশনে কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং কমিশনের প্রতিবেদন পাওয়ার পরপরই অর্থ বিভাগ কর্তৃক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। প্রাথমিক শিক্ষকদের তিন দফা দাবি হলো- বেতন স্কেল দশম গ্রেডে উন্নীতকরণ, ১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড সমস্যা সমাধান এবং শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি নিশ্চিত করা।

Manual4 Ad Code

তথ্যানুযায়ী, ‘প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদ’ বার্ষিক পরীক্ষার কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন। ফলে এ সংগঠনের ডাকে সহকারী শিক্ষকদের একটি পক্ষের অংশগ্রহণে অনেক বিদ্যালয়ে পরীক্ষা চলছে। ঐক্য সংগঠনের একজন নেতা বলেন, দাবি-দাওয়া আদায়ের আন্দোলন করেছি, করবো। কিন্তু বার্ষিক পরীক্ষা বন্ধ রাখলে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি হবে। সেদিক বিবেচনা করে আমরা পরীক্ষা কার্যক্রমে কোনো বাধা সৃষ্টি বা অসহযোগিতা করছি না। ‘প্রাথমিক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ’র সহকারী শিক্ষকরা কোনো পরীক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেননি।

Manual4 Ad Code

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ