ঢাকা ১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১:৩০ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৭, ২০২৫
নিজস্ব প্রতিবেদক :ঢাকার ভারতীয় হাই কমিশনের উদ্যোগে মৈত্রী দিবস উদযাপিত হয়েছে। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) ভারতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে মৈত্রী দিবসের ৫৪ তম বার্ষিকী উপলক্ষে একটি জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা মৈত্রী দিবসকে ভারত ও বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি মাইলফলক হিসেবে বর্ণনা করেন, যা কোনোদিন মুছে ফেলা যাবে না।
তিনি বলেন, ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে সমতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে একটি স্থিতিশীল, ইতিবাচক, গঠনমূলক, দূরদর্শী এবং পারস্পরিক উপকারী সম্পর্ক চায়, যেখানে দুই দেশের জনগণই প্রধান অংশীদার।
তিনি আস্থা প্রকাশ করেন যে, উভয়পক্ষই আমাদের জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে এবং ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলতে একসঙ্গে কাজ করবে, অতীতের ভাগাভাগি করা ত্যাগ দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে এবং ভবিষ্যতের জন্য আমাদের নতুন আকাঙ্ক্ষা দ্বারা পরিচালিত হবে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের শিল্পীরা মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন। যেখানে উভয় দেশের সাংস্কৃতিক বন্ধন এবং শৈল্পিক সমৃদ্ধি তুলে ধরা হয়। পরিবেশনার মধ্যে ছিল থিয়েটার এবং নৃত্যের কোরিওগ্রাফি এবং সংগীত ব্যান্ড।
সুন্দরম প্রোডাকশন ‘৭১ ইন সাইলেন্স’ থিয়েটার পরিবেশন করে। সৃষ্টি সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের নৃত্য পরিবেশিত হয়, যেখানে বাংলাদেশের প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং ভারত ও বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বের চিত্র তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানটি শেষ হয় শিরোনামহীন ব্যান্ডের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনার মাধ্যমে। অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা, সাংস্কৃতিক কর্মী, যুবসমাজ এবং বাংলাদেশ জুড়ে বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, মৈত্রী দিবস ১৯৭১ সালের সেই দিনটিকে স্মরণ করে, যখন ভারত বাংলাদেশকে একটি সার্বভৌম ও স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ১০ দিন আগে বাংলাদেশের প্রতি সমর্থনের একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে দিনটি , যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং এর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিকে আরও গতিশীল করে তুলেছিল।
Design and developed by sylhetalltimenews.com