ঢাকা ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১০:৫৮ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
বহুল আলোচিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’-এর কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে করা রিট শুনানির জন্য আগামী রোববার দিন রেখেছেন হাইকোর্ট।
রাষ্ট্রপক্ষের সময়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি মো. জিয়াউল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার এ দিন ধার্য করেন।
জুলাই সনদের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে ১৮ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ রিট করেন। আদালতের আজকের কার্যতালিকায় রিটটি ১৪৫ নম্বর ক্রমিকে ওঠে। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. দোলোয়ার হোসেন খান।
তিনি বলেন, সরকারপক্ষ থেকে তারা সময় নিয়েছে। কেননা রিট আবেদনের কপি তাদের ছিল না। আদালত শুনানির জন্য আগামী রোববার দিন রেখেছেন।
গণঅভ্যুত্থানের পর বৈষম্য কমিয়ে দেশের শাসন কাঠামোয় ভারসাম্য আনতে রাষ্ট্র সংস্কারের উদ্যোগ নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। এ কারণেই নিবন্ধিত ৩০টি শীর্ষ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচ্য করে ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ ঘোষণা করা হয়।
রাষ্ট্র সংস্কারে ৮৪টি বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেছে জুলাই অভ্যুত্থানের পক্ষে থাকা বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। অধ্যাপক আলী রীয়াজের নেতৃত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে দলগুলোর তিন দফায় ৭৮টি বৈঠকে এ সনদ চূড়ান্ত হয়। জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় গত ১৭ অক্টোবর ঐকমত্যের এই দলিলে ২৫টি দল সই করে।
তবে এ সনদের চূড়ান্ত আইনিভিত্তি নিয়ে বিভক্ত হয়ে পড়ে বিএনপি-জামায়াত। কারণ সনদে মৌলিক সংস্কারের বেশ কিছু ধারায় বিএনপির নোট অব ডিসেন্ট (আপত্তি) ছিল। এরপর ১৩ নভেম্বর জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি করেন রাষ্ট্রপতি। আর সনদের চূড়ান্ত আইনিভিত্তি দিতে ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের দিনে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৬৮ শতাংশ ভোটে জুলাই সনদ পাশ হয়।
এরপর জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়েরের পর আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ বলেছিলেন, রিটে জুলাই জাতীয় সনদ সংবিধানের সঙ্গে কেন সাংঘর্ষিক ঘোষণা হবে না- এ মর্মে রুল চাওয়া হয়েছে। রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এর কার্যক্রম স্থগিত চাওয়া হয়েছে রিটে।
Design and developed by sylhetalltimenews.com