ঢাকা ২রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১১:০৪ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ৯, ২০২৫
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত। তার চিকিৎসার জন্য গঠিত দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড প্রতিদিন বৈঠক করে চিকিৎসায় পরিবর্তন আনছেন। উন্নতি হচ্ছে খুবই ধীরে। লিভারের জটিলতা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও কিডনি নিয়ে উদ্বিগ্ন মেডিকেল বোর্ড। ওদিকে, শারীরিক অবস্থার কাঙ্ক্ষিত উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত তাকে বিদেশ নিয়ে উন্নত চিকিৎসার কথা ভাবছে না মেডিকেল বোর্ড। ওদিকে লন্ডন থেকে দেশে ফেরার পর বোর্ডে সশরীরে অংশ নেন খালেদা জিয়ার পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বৈঠক শেষ করে বাসায় ফেরেন। দিনের বেশির ভাগ সময় হাসপাতালে শাশুড়ির শয্যা পাশে কাটান। বাসায় থাকার সময়ও টেলিফোনে টাইম টু টাইম তিনি শাশুড়ির স্বাস্থ্যের খোঁজখবর রাখছেন। চিকিৎসার বিষয়গুলোর তিনি সমন্বয় করেন। ডা. জুবাইদা বেশ কয়েকদিন দেশেই থাকবেন।
মেডিকেল বোর্ডের একজন চিকিৎসক জানিয়েছেন, একটি জটিলতা কেটে গেলে নতুন করে আরেকটি জটিলতা দেখা দেয়। একটি রোগের প্যারামিটার নিয়ন্ত্রণে থাকলেও আরেকটি বেড়ে যায়। উন্নতি আছে, তবে সেটা আহামরি বলা যাবে না। বয়সজনিত কারণে সেরে উঠতে সময় লাগবে। উন্নতি হচ্ছে খুবই ধীরগতিতে। উনার মাল্টিপলডিজিজ (বহুমুখী জটিলতা) থাকায় একটি রোগ থেকে সেরে উঠলে আরেকটি দেখা দেয়। লিভার সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও কিডনি জটিলতায় বেশ ভুগছেন। কিডনির ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বর্ডার লাইন (ঝুঁকিপূর্ণ সীমা) অতিক্রম করেছে বেশ আগেই। এটা নিয়ন্ত্রণে রাখাই কষ্ট হচ্ছে। এখানে বয়স একটা বড় ফ্যাক্টর। প্রতিনিয়ত ডায়ালাইসিস দিতে হচ্ছে। ডায়ালাইসিস বন্ধ করলেই কিডনির অবস্থা অবনতি হয়।
সূত্র জানায়, বিএনপি চেয়ারপারসনকে সিসিইউতে নেয়ার পর থেকে প্রতিদিন নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। প্যারামিটারগুলো খারাপ আসছে না। তবে একেবারে ঝুঁকিমুক্তও হচ্ছেন না। সিসিইউতে এডভান্স ট্রিটমেন্ট দেয়া হচ্ছে। মেডিকেল বোর্ড প্রতি রাতে বৈঠকে বসে। যেখানে প্রত্যেকটি চিকিৎসক আলাদা রোগ নিয়ে আলোচনা করেন। রিপোর্ট দেখে কিছু ওষুধ বন্ধ করেন, আবার চালু করেন। কিছু ওষুধের মাত্রা কমান কিংবা প্রয়োজনে বাড়িয়ে দেন
Design and developed by sylhetalltimenews.com