ঢাকা ১৭ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৯:৪৯ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ২৯, ২০২৬
ক্যারিয়ারের শুরুতে একাধিক সিনেমায় চূড়ান্ত হওয়ার পরও শুধু তারকা সন্তানদের সুযোগ করে দিতে তাকে বাদ দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলিউডে বহিরাগত হিসেবে নিজের জায়গা করে নেওয়ার লড়াই ও নেপোটিজম নিয়ে অকপটে এ কথা বলেন তিনি।
গ্ল্যামার জগতের এই রূঢ় বাস্তবতা নিয়ে নিজের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথাও স্বীকার করে নেন এ জনপ্রিয় অভিনেত্রী। কৃতি শ্যানন বলেন, বলিউডের স্বজনপ্রীতি শুধু একটি শব্দ নয়; বরং এটি এক কঠিন সত্য।
অভিনেত্রী বলেন, এই বৈষম্য সমাজের সব ক্ষেত্রেই আছে। তবে শোবিজ অঙ্গনে এটি বেশিই দেখা যায়। একজন বহিরাগতকে যেখানে বারবার নিজেকে প্রমাণ করতে হয়, সেখানে তারকা সন্তানদের জন্য পথটা অনেক বেশি মসৃণ থাকে বলে জানান তিনি।
ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলোর কথা স্মরণ করে কৃতি শ্যানন বলেন, এমন অনেক সময় গেছে, যখন কোনো সিনেমায় আমাকে প্রায় নিশ্চিত করা হয়েছিল, ঠিক সেই মুহূর্তে কোনো এক প্রভাবশালী পরিবারের সন্তানের জন্য আমাকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
বিশেষ করে বড় প্রযোজনা সংস্থাগুলো অনেক সময় পরিচিত মুখ বা তারকা সন্তানদের নিতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে বলেও মন্তব্য করেন কৃতি শ্যানন। তিনি বলেন, একজন আউটসাইডারের জন্য একটি সিনেমা ফ্লপ হওয়া মানে ক্যারিয়ার প্রায় শেষ হয়ে যাওয়া, কিন্তু স্টারকিডরা বারবার সুযোগ পেতে থাকেন।
এত বাধা সত্ত্বেও দমে যাননি অভিনেত্রী। ‘বরেলি কি বরফি’, ‘মিমি’ কিংবা ‘তেরি বাতো মে অ্যায়সা উলঝা জিয়া’-র মতো সিনেমার মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেছেন যে, শেষ পর্যন্ত প্রতিভাই টিকে থাকে। বিশেষ করে ‘মিমি’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন তার ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় সাফল্য বলেও মনে করেন কৃতি শ্যানন।
Design and developed by sylhetalltimenews.com