বিচারকের স্ত্রী-মেয়েকে সিলেটে উত্ত্যক্ত করে লিমন, জিডি করায় ছেলেকে হ ত্যা

প্রকাশিত: ২:০৭ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৪, ২০২৫

বিচারকের স্ত্রী-মেয়েকে সিলেটে উত্ত্যক্ত করে লিমন, জিডি করায় ছেলেকে হ ত্যা

Manual2 Ad Code

সিলেট অলটাইম নিউজ :রাজশাহী মহানগর ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের ছেলে তাওসিফ রহমান সুমনকে (১৫) কুপিয়ে হত্যা ও স্ত্রীকে আহত করার ঘটনায় পুলিশ লিমন মিয়াকে (৩৫) গ্রেফতার করে।

Manual5 Ad Code

লিমন মিয়া চার বছর চাকরির পর সেনাবাহিনী থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন । এসব তথ্য জানিয়েছেন সিলেট মহানগর পুলিশের জালালাবাদবৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) বেলা আড়াইটার পর রাজশাহী নগরের ডাবতলা এলাকায় মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আবদুর রহমানের ভাড়া বাসায় ঢুকে ছেলে তাওসিফ রহমানকে (সুমন) ছুরিকাঘাত করে হত্যার ঘটনা ঘটে। হামলাকারীর ছুরিকাঘাতে বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহারও (৪৪) আহত হন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত লিমন মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ। আহত হওয়ায় তাকেও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।ওসি জানান, ৬ নভেম্বর বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসী (৪৪) জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দিয়ে পুলিশের সহযোগিতা চান। পরে সিলেট মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানা পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে তাকে জালালাবাদ থানায় হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু, জজ স্যারের স্ত্রী মামলা করতে রাজি না হওয়ায় তখন এ ঘটনায় জিডি করা হয়। জিডিমূলে ওই ব্যক্তিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।ওসি আরও জানান, জজ স্যারের মেয়ে শাহজালাল ইউনিভার্সিটিতে অধ্যয়নরত। মূলত মেয়েকে দেখতে বিচারকের স্ত্রী সিলেট এসেছিলেন। তখন লিমন তার পিছু নিয়ে সিলেট ছুটে আসে এবং তাদেরকে ডিস্টার্ব করে। এক পর্যায়ে তারা পুলিশের সহযোগিতা নিতে বাধ্য হন। তবে কী কারণে জজ স্যারের স্ত্রীর সাথে তার ঝামেলা ছিল তা তার জানা নেই।

Manual7 Ad Code

পুলিশ জানায়, গত ৪ ও ৫ নভেম্বরের ঘটনায় জিডি বা মামলা না করলেও বিচারকের স্ত্রী বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসি গত ৬ নভেম্বর লিমন মিয়ার বিরুদ্ধে জালালাবাদ থানায় জিডি করেন। জিডি করার সাত দিনের মাথায় বিচারকের ভাড়া বাসায় ঢুকে ছেলেকে হত্যা ও লুসিকে জখম করে।

Manual2 Ad Code

সেই জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের সদস্য হওয়ায় লিমন মিয়ার সঙ্গে পরিচয় হয়। পরিচয়ের পর সে মোবাইল নম্বর নেয়। পরিবার আর্থিকভাবে কিছুটা দুর্বল হওয়ায় প্রায়ই লিমন আর্থিক সহযোগিতা নিতেন। এক পর্যায়ে প্রতিনিয়ত সহযোগিতা চাইতো। এতে অপারগতা প্রকাশ করলে, সে তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর থেকে হুমকি-ধামকি দিতেন। গত ৩ নভেম্বর তার মেয়ের ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে কল করে আমাকে ও আমার পরিবারের লোকজনদের হত্যা করার হুমকি দেয়। লিটন যে কোনো সময় আমিসহ আমার পরিবারের সদস্যদের বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে এ কারণে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ