ঢাকা ১২ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৮শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১:১৮ অপরাহ্ণ, জুলাই ১১, ২০২৬
মালবোঝাই যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলেও তবে বাস্তবে দেখা গেছে তার বিপরীত, প্রতিদিনই ভারী ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন রাস্তা দিয়ে চলাচল করছে।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, এভাবে ভারী যানবাহন চলাচল অব্যাহত থাকলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে চাদনীঘাট ঝালোপাড়ার এ্ই রাস্তাটি । পুরানপুলের মুখসহ বিভিন্ন অংশ গর্ত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে,ছোট ছোট কার,লাইটেস,রিকসা ও সিএন জির পাশাপশি মিনিবাস,পণ্যবাহি মিনিট্রাক ও
র্নিদিধায় চলাচল করে আসছে এমনকি ট্রাকের পরিবর্তে ১০ চাকার ট্রাক, যা ৩০ টনের বেশি মালামাল নিয়ে এই ছোট রাস্তা ব্যবহার করে এর ওপর যাতায়াত করে। এভাবে ভারী যানবাহন চলাচল অব্যাহত থাকলে যেকোনো সময় বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে।
ভারী যানবাহনের চাকার চাপে রাস্তায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয় তাহলে বড় ধরনের দুর্ভোগ সৃষ্টি হবে। তাই দ্রুত এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৮.৬.২০২৬ সিলেট জেলা প্রশাসক বরাবরে একটি স্মারক লিপি প্রদান করেন তারপর গত ৫ জুলাই ২০২৬ রবিবার ঝালোপাড়া চাদনীঘাট এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারনকে নিয়ে তারা ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধের দাবীতে পুরানপুলের সামনে বিশাল এক মানববন্ধনের ডাক দেন।
ক্বিন ব্রিজের দক্ষিণ মোড় হয়ে চাঁদনীঘাট-ঝালোপাড়া সড়কে ট্রাক, লরি, বড় কাভার্ড ভ্যানসহ সকল ধরনের ভারী যানবাহন চলাচল স্থায়ীভাবে বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এই দাবিতে রবিবার দুপুরে ক্বিন ব্রিজের দক্ষিণ মোড়ে আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, শত বছর ধরে এই সড়ক দিয়ে গাড়ি-ঘোড়া গন্তব্যে যাচ্ছে। কখনোই এটি স্থানীয়দের জন্য হুমকির কারণ হয়নি। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে ভারী যানবাহন চলাচল করায় এই সড়কে ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে। এতে সড়কটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি নদী গর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিও সৃষ্টি হয়েছে।
তাই সড়কসহ এলাকা রক্ষায় অবিলম্বে ভারী যানবাহন চলাচল স্থায়ীভাবে বন্ধ করার জোর দাবি জানানো হয়
Design and developed by sylhetalltimenews.com