সিলেটে গৃহবধূ তাসলিমার মৃ ত্যু নিয়ে রহস্য

প্রকাশিত: ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ২২, ২০২৬

সিলেটে গৃহবধূ তাসলিমার মৃ ত্যু নিয়ে রহস্য

Manual2 Ad Code

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার নাম তাসলিমা আক্তার চৌধুরাী (৩৩)। তিনি দুই সন্তানের জননী।

 

 

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল প্রায় ১১টার দিকে উপজেলার খায়েরগাঁও গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
তাসলিমা কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার খায়েরগাঁও গ্রামের খাইরুল মিয়ার স্ত্রী। তার বড় মেয়ের বয়স ৪ বছর আর ছোট মেয়ের ২ বছর। তাসলিমার স্বামী খাইরুল মিয়া একজন প্রতিবন্ধী বলেও জানা গেছে।

 

পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে ঘরের দরজা দীর্ঘ সময় বন্ধ দেখে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে স্থানীয় লোকজনের সাহায্যে ঘরের দরজা ভেঙে ঝুলন্ত অবস্থায়  লাশ দেখতে পেয়ে থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। তারা লাশ উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট তৈরির পর  লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ওসমানী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়।

 

তাসলিমার স্বজনদের দাবি, পারিবারিক কলহের জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে।

 

তাসলিমার ভাই হোসেন চৌধুরীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের লোকজন মিলে তার বোনকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সালিশ-বৈঠক হলেও কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি।

 

Manual8 Ad Code

তিনি জানান,  পারিবারিক বিরোধের জেরে তার বোন কয়েক মাস পিত্রালয়ে অবস্থানের পর দুই সপ্তাহ আগে স্বামীর বাড়ি ফিরে গিয়েছিলেন।

 

তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

 

Manual7 Ad Code

তবে হোসেন চৌধুরীর অভিযোগ অস্বীকার করে খাইরুল মিয়া বলেন, ঝগড়াঝাটি অনেক আগে হয়েছে। এগুলো সমাধানও হয়েছিল মুরব্বিদের হস্তক্ষেপে।

 

এখন তারা ভালই চলছিলেন। হঠাৎ এভাবে মৃত্যুর কারণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি কিছুই জানিনা। উনারা অভিযোগ করতে পারেন। কোনো ঝগড়াঝাটি ছিলনা। সকালে আমাকে বাচ্চাকে স্কুলে দিতে পাঠিয়েছিল। ফিরে এসে দরজা বন্ধ দেখি। পরে আমরা তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছি।

 

এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার (ওসি তদন্ত) সুজল কর্মকার বলেন, লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এ ব্যাপারে কেউ এখনো মামলা দায়ের করেন নি।

 

Manual2 Ad Code

 

Manual5 Ad Code