যানজট কমাতে ও পরিবেশ দূষণ রোধে বাইসাইকেল হচ্ছে দারুণ একটি বিকল্প:পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী

প্রকাশিত: ৬:৪৩ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৪, ২০২৫

যানজট কমাতে ও পরিবেশ দূষণ রোধে বাইসাইকেল হচ্ছে দারুণ একটি বিকল্প:পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী

Manual3 Ad Code

পরিবেশ দূষণ রোধ ও সচেতনতা বাড়াতে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ ও রাউন্ড টেবিল বাংলাদেশের আয়োজনে এবং দুরন্ত বাইসাইকেলের সহযোগিতায় সিলেটে অনুষ্ঠিত হলো বর্ণাঢ্য সাইকেল র‌্যালি।

Manual5 Ad Code

শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) সকাল ১০টায় সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সম্মুখ চত্ত্বর এর সামনে এই র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়।

Manual8 Ad Code

‘নগর হোক সাইকেলবান্ধব, সাইকেল লেন হোক বাধ্যতামূলক’ এই স্লোগানে এতে অংশ নিয়েছেন অন্তত কয়েকশো সাইক্লিস্ট। র‌্যালিটি সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সম্মুখ চত্ত্বর থেকে শুরু হয়ে চৌহাট্টা, কুমারপাড়া, শাহী ঈদগাহ, আম্বরখানা, সুবিদবাজার ও রিকাবীবাজারসহ বিভিন্ন পয়েন্ট প্রদক্ষিণ শেষে আবারো কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সম্মুখে এসে শেষ হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী পিপিএম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী পিপিএম বলেন, যানজট কমাতে ও পরিবেশ দূষণ রোধে বাইসাইকেল হচ্ছে দারুণ একটি বিকল্প। বাইসাইকেলের ব্যবহার আমাদের যাতায়াতকে সহজতর করতে ভূমিকা পালন করে। পাশাপাশি এটি স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারি। বাইসাইকেলের মাধ্যমে শারীরিক ব্যয়াম করা যায়, যা আমাদের শরীরকে ফিট রাখে। একটি সুন্দর পরিবেশ গড়তে ও সুস্থ সমাজ গঠনে সবাইকে সচেতন হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। এছাড়া অনুষ্ঠানে তিনি সকল সহযোগী ও উদ্যোক্তা এবং অংশগ্রহণকারীদের সাফল্য কামনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন এসএমপি’র উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর ও প্রশাসন) ও অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত শেখ শরীফুল ইসলাম, উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) সুদীপ্ত রায় এবং সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন এজিএম ব্রান্ড (আরএফএল-আরএমআইএল, বাইক অ্যান্ড এসটিএল) এর হেড অফ মার্কেটিং শরিফুল ইসলাম এবং আরএফএল বাইক এর ব্রান্ড ম্যানেজার খন্দকার আরিফ হোসেন।

Manual8 Ad Code

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রাউন্ড টেবিল বাংলাদেশের সাবেক জাতীয় সভাপতি ও সাইকেল র‌্যালি  কমিটির প্রধান সমন্বয়ক এজাজ মাহমুদ রনি। তিনি বলেন, সাইক্লিং একটি টেকসই ও পরিবেশবান্ধব জীবনধারার প্রতীক। তরুণ প্রজন্ম যদি এই অভ্যাস গড়ে তোলে, তাহলে শহর হবে আরও সুন্দর ও প্রাণবন্ত।

অংশগ্রহণকারীরা বলেন, সচেতনতা ও অংশগ্রহণের মধ্য দিয়েই বদলে যেতে পারে শহরের বায়ু ও জীবনযাত্রা। সাইকেল শুধুমাত্র যানবাহন নয়, এটি আনন্দ ও শারীরিক ফিটনেসেরও উৎস। তারা নগরীতে পৃথক সাইকেল লেন নির্মাণের দাবিও জানান। তারা নগরীতে আলাদা সাইকেল লেন করার দাবিও জানান।

আয়োজকরা জানান, বায়ুদূষণ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলা এবং আগামী প্রজন্মকে সুস্থ-সুন্দর ভবিষ্যৎ উপহার দিতে সাইক্লিংকে বিকল্প জীবনযাপনের অংশ হিসেবে তুলে ধরাই ছিল তাদের উদ্দেশ্য।

ভোর থেকেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্ত্বরে সাইক্লিস্টরা জড়ো হতে থাকেন। র‌্যালির পূর্বে এক নান্দনিক সাইকেল স্ট্যান্ড শো আয়োজন করা হয়, যা বাড়তি চমক জোগায় দর্শনার্থীদের মধ্যে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক কর্মকর্তা এজাজ মাহমুদ রনি।

Manual6 Ad Code