সুনামগঞ্জের সীমান্ত গ্রাম জঙ্গল বাড়িতে ইয়াবা ডিলার গ্রেফতার

প্রকাশিত: ৮:২৯ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৮, ২০২৬

সুনামগঞ্জের সীমান্ত গ্রাম জঙ্গল বাড়িতে ইয়াবা ডিলার গ্রেফতার

Manual6 Ad Code

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের সীমান্ত গ্রাম জঙ্গল বাড়ি থেকে শাহ আলম নামে এক পেশাদার ইয়াবা ডিলারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে আলামত সহ মামলা দায়ের পূর্বক সুনামগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের (তাহিরপুর যোন)সোপর্দ করার পর তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেফতার শাহ আলম ২৮- বর্ডারগার্ড ব্যাটালিয়ন বাংলাদেশ (বিজিবি)’র সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের চারাগাঁও বিওপির আওতাভুক্ত সীমান্ত গ্রাম জঙ্গল বাড়ির আবুল হোসেন মুন্সীর ছেলে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাতে ৩০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ট্যাবলেট সেবনের উপকরণ, ইয়াবা বিক্রির নগদ ৫০ হাজার টাকা জব্দ করে ইয়াবা ডিলার শাহ আলমের নামে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় পুলিশ বাদী হয়ে তাহিরপুর থানায় মামলা দায়ের করে।
বৃহস্পতিবার শাহ আলমকে গ্রেফতার ও মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) রাকিবুল ইসলাম রাসেল।অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, তাহিরপুর থানার ট্যাকেরঘাট অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাতে জঙ্গল বাড়ির শাহ আলমের নিজ বসত ঘর থেকে ৩০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ট্যাবলেট সেবনের উপকরণ, ইয়াবা বিক্রির নগদ ৫০ হাজার টাকা জব্দ করে।
স্থানীয়রা জানান, একই সময় ইয়াবা ডিলার শাহ আলমকে গ্রেফতার করা হলেও তার সাথে থাকা কলাগাঁও পশ্চিম পাড়ার মৃত ময়দরের ছেলে অস্ত্রকারবারি, অপহরণকারি, সীমান্তের এপার- ওপার চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই চক্রের মূলহোতা অপর ডিলার (দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মাদক মামলার আসামি) শামীম ওরফে হাত টুন্ডা শামীম, জঙ্গলবাড়ির তোতার ছেলে (চোরাচালান মামলার আসামি) পেশাদার ইয়াবা ডিলার ও মাদকসেবী সাইফুল ইসলাম ওরফে বোতল সাইফুল, চারাগাঁও’র সীমান্তের শ্রী কৃষ্ণ’র চোরাকারবারিদের সোর্স, পেশাদার চাঁদাবাজ, কয়লা, চুনাপাথর, ডিজেল, পেট্রোল, অস্ত্র, মাদক কারবারি, জোলনোট কারবারি, চোরাচালান সহ একাধিক মামলার আসামি) নওমুসলিম আবু বক্কর সিদ্দিক দিপক, একই গ্রামের খোরশেদের ছেলে চোরাকারবারি, দিপকের সহযোগি রফিকুল ইসলাম, ট্যাকেরঘাট-বালিয়াঘাট সীমান্তের চোরাকারবারিদের সোর্স, পেশাদার চাঁদাবাজ, ইয়াবা কারবারি লাকমার ইদ্রিসের ছেলে ( মামলার আসামি) সাইফুল সহ আরো ৫ থেকে ৬ ইয়াবা কারবারি সহযোগিরা কৌশলে পালিয়ে যায়।