জাহানারার অভিযোগ প্রসঙ্গে মুশফিক— হয়রানির কোনো স্থান নেই

প্রকাশিত: ৩:৪২ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৮, ২০২৫

জাহানারার অভিযোগ প্রসঙ্গে মুশফিক— হয়রানির কোনো স্থান নেই

Manual5 Ad Code

এসএটিনিউজ ডেস্ক :: এক সাক্ষাৎকারে যৌন হয়রানির গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক জাহানারা আলম। নারী দলের সাবেক নির্বাচক মঞ্জুরুল আলম মঞ্জুর বিরুদ্ধে অভিযোগ জাহানারার। বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় চলছে ক্রিকেটাঙ্গনে। জাহানারাকে সমর্থন জানিয়ে মুশফিকুর রহিম বলেছেন, হয়রানির কোনো স্থান নেই পৃথিবীতে।

Manual7 Ad Code

অভিযোগ তোলার পর থেকে অনেককেই পাশে পাচ্ছেন জাহানারা। তামিম ইকবাল, মাশরাফি বিন মুর্তজারা জাহানারার পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। ক্রিকেটারদের অধিকার আদায়ের সংগঠন ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) জাহানারার অভিযোগের সুষ্ঠ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।

জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমও জাহানারার পাশে দাঁড়ালেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে জাহানারার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন মুশি।

Manual2 Ad Code

লিখেছেন, ‘সম্প্রতি আমাদের ক্রিকেট সম্প্রদায়ে ছড়িয়ে পড়া কিছু ভয়াবহ খবরের কথা জানতে পেরেছি। আমি যদিও ঘটনার দুই দিক বা পুরো সত্যটা জানি না, তবুও আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে এই পৃথিবীতে কোনো ধরনের হয়রানির স্থান নেই, আপনি যেই হোন না কেন, আপনার লিঙ্গ বা অবস্থান যাই হোক না কেন।’

Manual5 Ad Code

জাহানারার প্রতি পূর্ণ সমর্থন ও সংহতি জানিয়ে মুশফিক লিখেছেন অভিযোগ প্রমাণিত হলে দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, ‘যদি অভিযোগগুলি প্রমাণিত হয়, তাহলে দোষীদের অবশ্যই যথাযথ শাস্তি ও জবাবদিহিতার মুখোমুখি হতে হবে। যারা এই কঠিন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছেন, তাদের প্রতি আমার পূর্ণ সমর্থন ও সংহতি রইল। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক পথ দেখান এবং ক্ষতিগ্রস্তদের শক্তি ও ধৈর্য দান করুন।’

Manual3 Ad Code

উল্লেখ্য, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জাহানারা আলম নারী দলের সাবেক নির্বাচক মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলেন, ‘উনি (মনজুরুল ইসলাম) একদিন আমার কাছে আসলেন, আমার কাঁধে হাত রেখে বলছিলেন, তোর পিরিয়ডের কতদিন চলছে। পিরিয়ড শেষ হলে বলিস, আমার দিকটাও তো দেখতে হবে। পিরিয়ড শেষ হলে, যখন ডাকবো চলে আসিস।’ তাকে নিয়ে অন্য এক অভিযোগে জাহানারা বলেন, ‘বিশ্বকাপের কিছু ম্যাচে যখন আমরা লাইনে হ্যান্ডশেক করি, তখন তিনি (মনজুরুল) হ্যান্ডশেক না করে জড়িয়ে ধরতেন।’