ঢাকা ১৩ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৯শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৯:৫৭ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ১২, ২০২৬
সামনে টানা দ্বিতীয় সেমিফাইনাল খেলার হাতছানি। শেষ আটের লড়াইয়ে আজ আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হচ্ছে সুইজারল্যান্ডের। সুইসদের সামনে আছে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলার ইতিহাস।
১২ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৫ এএম
লাউতারোর গোলের পরই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল আর্জেন্টিনার জয়। শেষ বাঁশিতে সে আনুষ্ঠানিকতাটা শেষ হলো। ২০২২ সালের বিশ্বজয়ীরা আবারও চলে গেছে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে।
১২ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৩ এএম
প্রতি আক্রমণে উঠে এসে আলমাদা শট নিয়েছিলেন, সামনে এসে ঠেকিয়ে দিয়েছিলেন সুইস গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেল। তবে লাউতারো মার্তিনেজের ফিরতি শটটা ঠেকাতে পারেননি তিনি। বল গিয়ে জড়াল জালে। অতিরিক্ত সময়ের যোগ করা সময়ে আর্জেন্টিনা ব্যবধান দ্বিগুণ করল, অবশেষে!
আর্জেন্টিনা ৩-১ সুইজারল্যান্ড
১২ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৪ এএম

হুলিয়ান আলভারেজ পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে ফ্লপ ছিলেন। সেই আলভারেজের গোলেই সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে মহামূল্য লিডটা পেল আর্জেন্টিনা। বক্সের বাইরে থেকে তার মোহময় এক বাঁকানো শটে বল গিয়ে আছড়ে পড়ল জালে।
১১২ মিনিটে এগিয়ে গেল আলবিসেলেস্তেরা।
১২ জুলাই ২০২৬, ০৯:২৪ এএম
মেসি তার জোনে একটা ফ্রি কিক পেয়েছিলেন, তা গিয়ে লেগেছে দেয়ালে। তার আগে পরে মুহুর্মুহু আক্রমণ করেও গোলে দেখা পায়নি আর্জেন্টিনা। ফলে যোগ করা অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধ শেষেও স্কোরলাইন রইল ১-১। সুইজারল্যান্ড টিকে রইল ম্যাচে।
১২ জুলাই ২০২৬, ০৯:০২ এএম
খেলা গড়াল অতিরিক্ত সময়ে!
দশ জনের দলের বিপক্ষেও আর্জেন্টিনা খেলল তাদের নেতিবাচক ফুটবলটাই। শেষ দিকে আক্রমণ করেছে বটে। সেসব আলোর মুখ দেখেনি। খেলা গড়াল অতিরিক্ত সময়ে।
১২ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩৫ এএম

প্রথমার্ধে ৪৪ মিনিটে হলুদ কার্ড দেখেছিলেন ব্রিল এমবোলো। সেই তিনি অভিনয় করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখলেন তিনি। ভিএআর দেখে এসে তাকে হলুদ কার্ডটি দেখালেন রেফারি। এমবোলোর বিদায়ে সুইজারল্যান্ড পরিণত হলো ১০ জনের দলে।
১২ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩০ এএম

শেষ দশ মিনিট ধরে আর্জেন্টিনা যেন বাসপার্ক করে বসেছিল। সুইসদের আক্রমণের আহ্বান জানাচ্ছিল। সেটাই শেষমেশ কাল হলো। বাম পাশ থেকে আক্রমণে উঠে এনদোয়ে দারুণ এক শটে মার্তিনেজকে এড়িয়ে বল জড়ালেন জালে।
আর্জেন্টিনা ১-১ সুইজারল্যান্ড
১২ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৮ এএম
বক্সে পয়েন্ট ব্ল্যাংক রেঞ্জ থেকে দারুণ একটা হেডার যাচ্ছিল আর্জেন্টিনা গোলমুখে, সেটা দারুণভাবে ঠেকালেন আর্জেন্টিনা গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। এর একটু পর বক্সের বাইরে থেকে একটা শটও ঠেকালেন তিনি।
১২ জুলাই ২০২৬, ০৮:১৪ এএম

৫০ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে দারুণ একটা বল পেয়েছিলেন ব্রিল এমবোলো। তার সামনে ছিলেন দুই ডিফেন্ডার, পাশে ছিলেন আরেক সতীর্থ। তিনি শেষ মুহূর্তে পাস বাড়ান সতীর্থকে, তিনি শট নেবেন, এমন সময়ে স্লাইডিং ট্যাকলে তিনি ঠেকান তাকে। ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল সুইসরা, তবে তা শেষে দেখা গেল আগেই অফসাইডের কাটায় পড়ে গেছেন এমবোলো।
১২ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫২ এএম
১২ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৯ এএম
আবারও সেই পুরোনো গল্প! একটা গোল দিয়ে আর্জেন্টিনা গিয়ার বদল করেছে, শক্তি সংরক্ষণের নীতিতে ফেরত এসেছে আবার। হাইড্রেশন ব্রেকের আগে যে আক্রমণের ধারা ছিল আর্জেন্টিনার, সেটা স্তিমিত হয়ে গেছে বিরতির পর।
সে সুযোগটা নিচ্ছে সুইজারল্যান্ড, আর্জেন্টিনা রক্ষণে চাপ বাড়াচ্ছে শেষ ১০ মিনিট ধরে। একের পর এক আর্জেন্টিনার ডিফেন্সিভ থার্ডে ফ্রি কিক, কর্নার, থ্রো ইন জিতেই যাচ্ছে।
১২ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৩ এএম

লিসান্দ্রো মার্তিনেজের ভুলে আর্জেন্টিনা গোল হজম করেই বসেছিল। গোলমুখে ব্রিল এমবোলোর সামনে ছিলেন শুধু এমি মার্তিনেজ। তবে তিনি সামনে এগিয়ে এসে আটকে দিলেন এমবোলোকে। বিপদ থেকে রক্ষা পেল আর্জেন্টিনা।
১২ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৫ এএম
প্রথম হাইড্রেশন ব্রেকের আগে আর্জেন্টিনা গোল পেয়ে গেছে আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টারের কল্যাণে। তার আগে সুইজারল্যান্ড বেশ চাপে রেখেছিল আর্জেন্টিনাকে। ম্যাক আলিস্টারের সেই গোল আর্জেন্টিনাকে শক্ত অবস্থানে এনে দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে হাইড্রেশন ব্রেকে গেল দুই দল।
১২ জুলাই ২০২৬, ০৭:২২ এএম
শেষ দুই দিনে দুটো গোল এসেছে দূরপাল্লার নিচু শট গোলরক্ষক ঠিকঠাক ঠেকাতে না পারার কারণে। সে কারণে এই শটের গুরুত্ব বেড়ে গেছে বৈকি! আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধেও একই রকম শটের চেষ্টা করলেন সো। তার শটটা ভালোভাবেই কোলে তুলে নিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ।
১২ জুলাই ২০২৬, ০৭:১২ এএম

১১ মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পেয়ে গেল আর্জেন্টিনা। গোলটা করলেন অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। লিওনেল মেসির কর্নার থেকে মাথা ছুঁইয়ে দারুণ এক গোল করে বসেন তিনি।
Design and developed by sylhetalltimenews.com