বর্ষার সুরে ভারত-বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বন্ধনের অনন্য আয়োজন: আইজিসিসির ‘শ্রাবণ সন্ধ্যা’

প্রকাশিত: ৪:৫০ অপরাহ্ণ, জুলাই ২০, ২০২৬

বর্ষার সুরে ভারত-বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বন্ধনের অনন্য আয়োজন: আইজিসিসির ‘শ্রাবণ সন্ধ্যা’

Manual7 Ad Code

 

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ভারতীয় হাইকমিশন, ঢাকার ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টার (আইজিসিসি) ১৮ জুলাই ২০২৬, শনিবার, ভারতীয় হাইকমিশন প্রাঙ্গণে **‘শ্রাবণ সন্ধ্যা’** শীর্ষক এক মনোমুগ্ধকর বর্ষা-সঙ্গীত সন্ধ্যার আয়োজন করে।

Manual2 Ad Code

বাংলা ও ভারতীয় সাহিত্য-সংস্কৃতিতে বর্ষা ঋতুর অনন্য আবেদনকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রকৃতির সৌন্দর্য, আবেগ এবং ঐতিহ্যের নানা অনুষঙ্গ সঙ্গীতের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়। যত্নসহকারে নির্বাচিত বাংলা ও হিন্দি বর্ষাভিত্তিক গানের পরিবেশনা ভারত ও বাংলাদেশের অভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের গভীর বন্ধনকে নতুনভাবে স্মরণ করিয়ে দেয়।

Manual2 Ad Code

অনুষ্ঠানে হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীত পরিবেশন করেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী ও গুরু **অনিল কুমার সাহা** এবং তাঁরই কৃতী শিষ্য, খ্যাতিমান শিল্পী **অলোক কুমার সেন**। এছাড়া বিশ্ববরেণ্য কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বর্ষার গান পরিবেশন করেন দেশের প্রখ্যাত রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী, গবেষক ও শিক্ষাবিদ **ড. চঞ্চল খান**।

গুরু অনিল কুমার সাহা বাংলাদেশের হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীত জগতের একজন বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী ও সম্মানিত সঙ্গীতগুরু। দীর্ঘদিন ধরে তিনি অসংখ্য গুণী শিল্পী গড়ে তুলেছেন এবং শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের ধারাকে সংরক্ষণ ও প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।

অলোক কুমার সেন বাংলাদেশের একজন সুপরিচিত হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় ও উপ-শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী। শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের পাশাপাশি গজল, রবীন্দ্রসঙ্গীত ও আধুনিক বাংলা গান পরিবেশনেও তিনি সমানভাবে সমাদৃত। দেশ-বিদেশে তাঁর সুরেলা পরিবেশনা ও মঞ্চনৈপুণ্য শ্রোতাদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

ড. চঞ্চল খান বাংলাদেশের অন্যতম প্রখ্যাত রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী, গবেষক ও শিক্ষক। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গানের গভীর ও আবেগময় পরিবেশনার জন্য তিনি দেশে ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিশেষভাবে সমাদৃত। রবীন্দ্রসঙ্গীতের সংরক্ষণ, চর্চা ও প্রসারে তাঁর অবদান সুপ্রশংসিত।

Manual2 Ad Code

শিল্পীরা বর্ষার আবহকে কেন্দ্র করে বাংলা ও হিন্দি গানের এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা উপস্থাপন করেন, যা দর্শক-শ্রোতাদের এক অনন্য সঙ্গীতানুভূতির মধ্য দিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের অভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সৌন্দর্যকে অনুভব করার সুযোগ করে দেয়।

সাংস্কৃতিক কূটনীতির ধারাবাহিক প্রয়াসের অংশ হিসেবে এই আয়োজন ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারের সাংস্কৃতিক বিনিময়, পারস্পরিক সম্প্রীতি এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার অঙ্গীকারকে পুনর্ব্যক্ত করেছে।

Manual1 Ad Code