ঢাকা ১লা ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১:১৯ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৭, ২০২৫
স্পোর্টস ডেস্ক :সরাসরি বিশ্বকাপের টিকিট পেতে হলে ইতালিকে জিততে হতো বিশাল গোল ব্যবধানে। ঘরের মাঠে শুরুতে এগিয়ে গিয়ে আশায় বুকও বাঁধছিল ইতালিয়ানরা। তবে সে আশায় গুড়ে বালি ঢেলে দেয় নরওয়ে। রোববার ৪-১ গোলের জয়ে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের মূলপর্বের টিকিট পায় তারা। জোড়া গোল করে রেকর্ড বইয়ে নাম তোলেন আর্লিং ব্রুট হালান্দ।
বাছাইপর্বে এক আসরের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডে রবার্ট লেভানদোভস্কির সঙ্গে যৌথভাবে বসলেন হালান্দ। ২০১৮ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে হালান্দের মতো ১৬ গোল করেন পোলিশ তারকাও। এবারের বিশ্বকাপ বাছাইয়ে দলের আট ম্যাচের সবগুলোতেই গোল পেলেন ম্যানচেস্টার সিটির হালান্দ। এমনকি দলের ৩৭টি গোলের ১৬টি গোলই তার। অথচ সান সিরোতে একাদশ মিনিটে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরাই। লিড নিয়েই বিরতিতে যায় চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। মাঠে ফিরে ৬৩তম মিনিটে ঘুরে দাঁড়ায় নরওয়ে। এরপর দুই মিনিটের মধ্যে জোড়া গোল করেন হালান্দ। যোগ করা তৃতীয় মিনিটে শেষ গোলটি করেন স্ট্রান্ড লারসেন। সেই সঙ্গে নিশ্চিত হয় নরওয়ের বিশ্বকাপ মূলপর্ব। এর আগে সবশেষ ১৯৯৮ তে বিশ্বকাপে খেলে দেশটি। অন্যদিকে, এ হারে ২০১৮, ২০২২ বিশ্বকাপের পর আরেক আসরের মূলপর্বে খেলা নিয়ে শঙ্কায় পড়ে গেল ইতালি। ‘আই’ গ্রুপে দুইয়ে থেকে প্লে-অফে খেলবে আজ্জুরিরা। ইতালিয়ানদের প্লে-অফ অভিজ্ঞতাও খুব একটা ভালো নয়। ২০১৮ বিশ্বকাপে সুইডেনের সঙ্গের দুই লেগ মিলিয়ে ১-০ গোলের হারে ছিটকে যায় তারা। ২০২২-এ উত্তর মেসিডোনিয়ার কাছেও একই স্কোরলাইনে বিদায় নেয় ইতালি।
অপরাজিত থেকেই বাছাইপর্ব শেষ ফ্রান্সের
আগের ম্যাচে ইউক্রেনের সঙ্গে জয়ে বিশ্বকাপ মূলপর্ব নিশ্চিত হয় ফ্রান্সের। তাই আজারবাইজের সঙ্গে শেষ ম্যাচটি একপ্রকার নিয়ম রক্ষারই ছিল ২০১৮ বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়নদের। আজারবাইজানের মাঠে শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে ফরাসিরা। যদিও তাতে কোনো অসুবিধা হয়নি তাদের। শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলের জয় নিয়ে বাছাইপর্বে অপরাজিত থেকেই মাঠ ছাড়ে ফ্রান্স। চোটের কারণে আগেই দল ছেড়ে যান কিলিয়ান এমবাপ্পে। ইউক্রেনের বিপক্ষে আগের ম্যাচটির শুরুর একাদশ থেকে এদিন ১০টি পরিবর্তন আনেন ফ্রান্স কোচ দিদিয়ের দেশম। ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই এগিয়ে যায় স্বাগতিক আজারবাইজান। যদিও জবাব দিতে বেশি সময় নেয়নি দুইবারের চ্যাম্পিয়নরা। সপ্তদশ মিনিটে জ্য ফিলিপে মাতেতার গোলে সমতায় ফেরে তারা। ৩০তম মিনিটে দলকে লিড এনে দেন আকলিউচে। বিরতির বাঁশি বাজার আগে স্বাগতিক গোলকিপারের আত্মঘাতী গোলে ৩-১ গোলে এগিয়ে যায় ফ্রান্স। শেষ পর্যন্ত এ স্কোরলাইনেই জয় নিশ্চিত হয়ে দেশমের শিষ্যদের। একই সময়ের ‘ডি’ গ্রুপের অন্য ম্যাচে আইসল্যান্ডের সঙ্গে ২-০ গোলে জয় তুলে নেয় ইউক্রেন। ফলে গ্রুপের রানার্সআপ হিসেবে প্লে অফে খেলবে তারা।
ইংল্যান্ডের আটে আট
ইউরোপ থেকে সবার আগে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করা ইংল্যান্ডও অপরাজিত থেকে বাছাইপর্ব শেষ করল। একই রাতে আলবেনিয়ার মাঠে ইংলিশদের জয় ২-০ গোলে। দু’টি গোলই করেন হ্যারি কেইন। এবারের বাছাইয়ে ৮ ম্যাচে ৮ গোল হলো এ বায়ার্ন মিউনিখ তারকার। ‘কে’ গ্রুপে দুইয়ে থেকে রানার্সআপ হয়ে প্লে অফে খেলবে আলবেনিয়া।
Design and developed by sylhetalltimenews.com