যোগ্য দল হিসেবে সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ:অ্যান্ডি বার্লবানি

প্রকাশিত: ৯:৩৩ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ২৪, ২০২৫

যোগ্য দল হিসেবে সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ:অ্যান্ডি বার্লবানি

Manual4 Ad Code

স্পোর্টস ডেস্ক :আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ব্যাটে বলে উজ্জ্বল নৈপুণ্য দেখিয়ে সিলেট টেস্টের পর ঢাকা টেস্ট জিতে নেয় বাংলাদেশ। মুশফিকুর রহীমের শততম টেস্ট জয়ে রাঙিয়ে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশের লজ্জা দেয় স্বাগতিক শিবির। আর পরাজয় শেষে আইরিশ অধিনায়ক অ্যান্ডি বার্লবানি বলেন, যোগ্য দল হিসেবে সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ।

Manual6 Ad Code

ঢাকা টেস্ট হারের পর বার্লবানি বলেন, ‘সত্যি বলতে আমরা পুরো ম্যাচেই পিছিয়ে ছিলাম। বাংলাদেশ ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয়ের যোগ্য। আমরা আমাদের প্রচেষ্টায় গর্বিত। এখানে কঠিন পরীক্ষায় পড়েছি। কিন্তু, এটাই স্বাভাবিক। বাংলাদেশ প্রাপ্য জয় পেয়েছে।’
মিরপুরে চতুর্থ ইনিংসে সফরকারী কোনো দলই আড়াইশোর গণ্ডি পেরোতে পারেনি। ২০১৭ সালে সর্বোচ্চ ২৩৫ রান তোলে অস্ট্রেলিয়া। হারলেও সেই রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে আয়ারল্যান্ড। ২৯১ রান তোলে সফরকারীরা। এ রেকর্ড ভাঙার নৈপথ্যে ছিলেন অলরাউন্ডার কার্টিস কাম্ফার। হার না মানা ৭০ রানের ইনিংসে দলের পাশাপাশি তিনি ব্যক্তিগত রেকর্ড গড়েন। মিরপুরে চতুর্থ ইনিংসে আড়াইশর বেশি বল মোকাবিলা করার নজির দেখিয়েছেন ক্যাম্ফার। চতুর্থ ইনিংসে সর্বোচ্চ বল মোকাবিলার আগের রেকর্ডটি সাকিব আল হাসানের। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের রেকর্ডগড়া ৪১৩ রান করার ইনিংসে ২১২ বল মোকাবিলা করেছিলেন তিনি। ৪ ছক্কা ও ২ চাওে সাজানো ৭০ রানের ইনিংসে ২৫৯ বল খেলেন ক্যাম্ফার। টেলেন্ডারদের নিয়ে একাই ম্যাচের গতিপথ বদলে দেন। এক সময় তো মনে হয়েছিল, ম্যাচটা ড্র হতে যাচ্ছে। এমন ইনিংসের পর ক্যাম্ফারকে প্রশংসায় ভাসালেন আইরিশ দলপতি, ‘কার্টিস টিকে গেলে তাকে আউট করা খুব কঠিন। নেটে কিংবা মাঠে-সব সময়ই আউট না হওয়ার ব্যাপারে সে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ থাকে। তার রক্ষণাত্মক ব্যাটিংয়ের প্রমাণ সবাই দেখেছে। মন স্থির করে খেললে সে কী করতে পারে, আজ সেটারই উৎকৃষ্ট উদাহরণ।’
আয়ারল্যান্ডকে লড়াইয়ে রাখা ক্যাম্ফারকে লম্বা সময় ধরে কেউই সঙ্গ দিতে পারেনি। তবে  শেষদিকে ব্যাটারদের লড়াইয়ের মানসিকতা বার্লবানিকে গর্বিত করেছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের টপ অর্ডার কিংবা মিডল অর্ডারের কেউ একটু বেশি সময় তাকে সঙ্গ দিতে পারেনি। তবে আমরা সকালে ব্যাটারদের বলেছিলাম লড়াই দেখাতে-তা তারা করেছে। পঞ্চম দিনের টি-বিরতির ঠিক আগে পর্যন্ত ম্যাচ টেনে নেওয়া আমাদের জন্য গর্বের।’মিরপুরে ক্যারিয়ারের শততম টেস্ট খেলেন মুশফিকুর রহীম। এ মাইলফলক ছুঁতে মিস্টার ডিপেন্ডেবলের দুই দশক লেগেছে। বছরে গুটি কয়েক টেস্ট খেলা আয়ারল্যান্ডের কারোর জন্য এমন কীর্তি স্বপ্ন বটে! রসিকতা করে এই আক্ষেপ করেন আইরিশ অধিনায়ক, ‘সে (মুশফিক) এই সপ্তাহে শততম টেস্ট খেলেছে। ২০০৫ সালে তার অভিষেক- অর্থাৎ ২০ বছরের পথচলা। আমাদের কোনো ক্রিকেটারকে একশ টেস্ট খেলতে হলে হয়তো ৫০ বছর খেলতে হবে! মুশফিক দেখিয়েছে কীভাবে কঠিন সময় পার করে নিজেদের কন্ডিশনে শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে। ধীর গতিতে হলেও আমরা এগুচ্ছি। যত দিন যাবে, আশা করি আয়ারল্যান্ড আরও শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠবে।’

 

Manual4 Ad Code