সিলেটে ডা কা তি র শিকার পরিবার, র‌্যাবের হাতে গ্রে ফ তা র ৩

প্রকাশিত: ৮:০১ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৯, ২০২৬

সিলেটে ডা কা তি র শিকার পরিবার, র‌্যাবের হাতে গ্রে ফ তা র ৩

Manual1 Ad Code

ঢাকার গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানাধীন চন্দরা থেকে প্রাইভেটকারযোগে স্ত্রী ও পরিবার নিয়ে সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরাণ (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের উদ্দেশ্যে ঘুরতে আসার পথে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুরের শাহজিবাজার বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সামনে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ডাকাতির শিকার হন এক পরিবার। এই ডাকাতির ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৯)।

Manual5 Ad Code

 

 

শনিবার (১৮ জুলাই) আনুমানিক বিকাল সোয়া ৫টার দিকে হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ থানাধীন অলিপুর রেলক্রসিং এলাকায় এবং রাত সোয়া ৯টার দিকে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানাধীন জগদীশপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

 

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- ঢাকা জেলার তুরাগ থানার রোশাদিয়া এলাকার মৃত মো. ফরিদ মিয়ার ছেলে রাসেল মিয়া (৩৯), হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানার বড় দলিয়া জগদীশপুর এলাকার কাউসার মিয়া এলাকার শিপন মিয়া (২৫) ও মৃত লালখা মিয়ার ছেলে অহিবুর রহমান (২৫)।

 

Manual4 Ad Code

ঘটনার বিবরণ উল্লেখ করে র‌্যাব জানায়, বাদী মো. সামছুল আলম সরকার (৫৮), পিতা/অন্যান্য পরিচয় অজ্ঞাত, গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানাধীন চন্দরা এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা এবং পেশায় একজন ব্যবসায়ী। তিনি গত ১৯ জুন রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে নিজস্ব প্রাইভেটকারযোগে স্ত্রী ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে সিলেটে অবস্থিত হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরাণ (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের উদ্দেশ্যে কালিয়াকৈর থেকে রওনা হন। পরদিন ২০ জুন রাত আনুমানিক ২টার দিকে তারা হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানাধীন ১১নং বাঘাসুরা ইউনিয়নের শাহজিবাজার বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সামনে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে পৌঁছালে পুলিশের পোশাক পরিহিত অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জন ডাকাত তাদের ব্যবহৃত গাড়ির গতিরোধ করে। এ সময় ডাকাতরা আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে বাদী ও তার পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে এবং কিল-ঘুষি, চড়-থাপ্পড় মেরে তাদের কাছে থাকা ৪টি মোবাইল ফোন, নগদ ৯৩,০০০ (তিরানব্বই হাজার) টাকা এবং গাড়ির চাবি ছিনিয়ে নেয়। পরবর্তীতে ডাকাতরা বাদীর ব্যবহৃত গাড়িটি চালিয়ে সিলেটের দিকে পালিয়ে যায়।

Manual3 Ad Code

এ ঘটনায় বাদী মো. সামছুল আলম সরকার হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানায় অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জন আসামির বিরুদ্ধে একটি ডাকাতি মামলা দায়ের করেন। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় আসামিদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার লক্ষ্যে র‌্যাব-৯ ঘটনাটির ছায়া তদন্ত শুরু করে। একই সঙ্গে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ডাকাত দলের সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রাখে।

 

এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯, সিপিসি-৩, শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্প, হবিগঞ্জের একটি আভিযানিক দল হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানার মামলা নং-২২,
তারিখ-২১/০৬/২০২৬ খ্রি., ধারা-৩৯৫/৩৯৭ পেনাল কোড ১৮৬০; এর মূলে শনিবার (১৮ জুলাই) আনুমানিক বিকাল সোয়া ৫টার দিকে হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ থানাধীন অলিপুর রেলক্রসিং এলাকায় এবং রাত সোয়া ৯টার দিকে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানাধীন জগদীশপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে হবিগঞ্জের মাধবপুরে ডাকাতির ঘটনায় তদন্তে প্রাপ্ত তিনজন পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৯) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, ‘পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃত আসামিদের হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ছাড়াও দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‌্যাব-৯ এর চলমান গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

Manual4 Ad Code