ঢাকা ১৭ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৩:২৭ অপরাহ্ণ, মে ৫, ২০২৬
স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে এখন কেবলই হাহাকার। নটিংহ্যাম ফরেস্টের কাছে ঘরের মাঠে ৩-১ গোলের হারের পর চেলসির চ্যাম্পিয়ন্স লীগে খেলার স্বপ্ন শেষ। ১৯৯৩ সালের পর এই প্রথম টানা ছয় ম্যাচে পরাজয়ের বিস্বাদ পেতে হলো ব্লুদের। অন্তর্বর্তীকালীন কোচ ক্যালাম ম্যাকফারলেনের অধীনেও ভাগ্য ফেরেনি দলটির। তাতে চেলসিকে ‘ভাঙ্গাচোরা ক্লাব’ মনে হচ্ছে ফুটবল বিশ্লেষকদের।ম্যাচ শেষে গ্যালারি থেকে ধেয়ে আসা দুয়ো এবং সমর্থকদের আগেভাগেই আগেই প্রস্থান চেলসির বর্তমান দশাকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছিল। তবে ফুটবলবোদ্ধাদের সমালোচনা ছিলো আরও তীক্ষ্ণ। স্কাই স্পোর্টসে সাবেক লিভারপুল ডিফেন্ডার জেমি ক্যারাঘার ক্লাবটির অভ্যন্তরীণ কাঠামোর কড়া সমালোচনা করে বলেন, “এটি অত্যন্ত হতাশাজনক এবং এর দায়ভার একদম শীর্ষ পর্যায় থেকে শুরু হয়। আজ মাঠে পাঁচ-ছয়জন শীর্ষমানের খেলোয়াড় ছিল, অথচ তারা নটিংহ্যাম ফরেস্টের ‘বি’ টিমের কাছে হেরে গেল। এক বছর আগেও চেলসি পিএসজি-র মতো দলকে নাস্তানাবুদ করেছে। তবে এখন খেলোয়াড়দের সাথে স্টাফ বা সমর্থকদের কোনো যোগসূত্র নেই। সেখানে আসলে অবশিষ্ট কিছু নেই এবং বর্তমানে চেলসিকে একটি ভাঙাচোরা ফুটবল ক্লাব মনে হচ্ছে।” নটিংহ্যাম একাদশকে ক্যারাঘারের ‘বি’ টিম বলার কারণ, ইউরোপা লীগের সেমিফাইনাল সামনে রেখে তারা তাদের মূল একাদশে আটটি পরিবর্তন এনে মাঠে নামে।চেলসির সাবেক গোলকিপার মার্ক শোয়ারজার বিবিসিতে কথা বলার সময় খেলোয়াড়দের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। আসন্ন এফএ কাপ ফাইনাল নিয়েও খেলোয়াড়দের মধ্যে কোনো তাড়না দেখেননি তিনি। শোয়ারজার বলেন, ‘চেলসির সামনে এখন আর কোনো অজুহাত নেই। তাদের সামনে এফএ কাপ ফাইনালের মতো এত বড় একটি ম্যাচ, অথচ তাদের খেলায় কোনো লড়াকু মানসিকতা বা জেদ লক্ষ্য করা যায়নি। এখন খেলোয়াড়দের নিজেদের দায়িত্ব নিতে শিখতে হবে।’
Design and developed by sylhetalltimenews.com