ঢাকা ৫ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৫:১৫ অপরাহ্ণ, মার্চ ৪, ২০২৬
ভোলাগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই কামরুল আলম (প্রত্যাহার) ওয়াকিটকি, প্রাইভেটকার ও চাইনিজ কুড়ালসহ ধরা পড়া গণঅধিকার পরিষদ কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার আহ্বায়ক লিটন মিয়া ও জুনায়েদ আহমদকে রিমান্ড শেষে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে এয়ারপোর্ট থানায় এসআই মনির হোসাইন বাদী হয়ে ডাকাতির উদ্দেশ্যে সমবেত হওয়া এবং ডাকাতির প্রস্তুতি গ্রহণের অপরাধে মামলা দায়ের করেন। ঘটনার রহস্য উদঘাটনের জন্য তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ বাবুল মিয়া আমলি আদালত-৬ এ কারাবন্দি লিটন ও জুনায়েদকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য ৫দিনের আবেদন করেছেন বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি)। শুনানী শেষে আদালত তাদের দুজনের একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) একদিনের রিমান্ড শেষে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।
দায়েরকৃত মামলায় পুলিশ অজ্ঞাতনামা ৭/৮জনকে আসামী করলেও এদের কোন পরিচয় এখনও শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। তবে রহস্যজনক কারণে পুলিশের সরকারি ওয়াকিটকি ব্যবহারকারী ও প্রাইভেট করের মালিক এসআই কামরুল আলমকে আসামী না করেই দায় সেরেছে পুলিশ।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এয়ারপোর্ট থানায় এসআই মোহাম্মদ বাবুল মিয়া এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আদালত লিটন ও জুনায়েদের একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করলে তাদের রিমান্ডে নিয়ে আসে পুলিশ। ওয়াকিটকি, চাইনিজ কুড়াল ও প্রাইভেটকার পুলিশের বলে জানায়। এছাড়া তাদের আরও কিছু তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
এদিকে, মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে কারাবন্দি লিটনের বড় ভাই মরম আলী অভিযোগ করেন, চেকপোস্টে আটকের ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে পরিকল্পিতভাবে তার ভাই ও গাড়িচালক জুনায়েদ আহমদকে ‘ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আটক’ দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার আগের রাতে কোম্পানীগঞ্জ থানার এসআই কামরুল নিজস্ব গাড়িতে সিলেট নগরের উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথে পরিচিত হওয়ায় লিটনকে গাড়িতে তুলে নেন। পরে দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় সংঘর্ষের খবর পেয়ে এসআই কামরুল মাঝপথে নেমে যান এবং গাড়িটি লিটন ও চালকসহ সিলেটের দিকে আসে।
Design and developed by sylhetalltimenews.com